লাদাখে ইউক্রেনের মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছে চিন, বিস্ফোরক দাবি রাহুল গান্ধীর

0
55

নয়াদিল্লি: লাদাখে ভারত-চিন সীমান্ত বিবাদ ফের মাথাচাড়া দিয়েছে। সম্প্রতি বেশি কয়েকটি স্যাটেলাইট চিত্র প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে দেখা গিয়েছে অরুনাচলে সীমান্তে পাশে সেতু নির্মাণ করছে চিন। এই বিষয় নিয়েই দেশজুড়ে নতুন করে দুই দেশের চর্চা শুরু হয়েছে। তারমধ্যেই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন রাহুল গান্ধী। চিনের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত বিবাদ প্রসঙ্গে ফের একবার কেন্দ্রকে নিশানা করেছেন। ন লাদাখে ইউক্রেনের মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছে এবং এই নিয়ে মোদী সরকার কোনও আলোচনা করতে চায় বলেই দাবি অভিযোগ করেছেন কংগ্রেস নেতা।

রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্ব এবং ভারতের বিরুদ্ধে চিনা পদক্ষেপের মধ্যে একটি সমান্তরাল রেখাই রয়েছে বলেই বোঝাতে চেয়েছেন সনিয়া তনয়। প্রাক্তন কংগ্রেস প্রধান বলেছেন সীমান্তে একটি সমস্যা রয়েছে এবং দেশকে সেই সমস্যা সমাধান করার জন্য প্রস্তুত করা দরকার। শুক্রবার ‘আইডিয়াস ফর ইন্ডিয়া’ সম্মেলনে রাগা বলেছেন, “রাশিয়ানরা ইউক্রেনকে বলে যে আমরা আপনার আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করি। আমরা মানতে রাজি নই যে এই দুটি জেলা ইউক্রেনের অন্তর্গত। এবং আমরা আপনার এই দুই জেলায় আক্রমণ করতে যাচ্ছি যাতে আপনি ন্যাটোর সাথে জোট ভাঙতে পারেন।” এর পরেই লাদাখ প্রসঙ্গ টেনে কংগ্রেস নেতা বলেন, “অনুগ্রহ করে ইউক্রেনে যা ঘটছে এবং লাদাখ এবং ডোকলামে যা চলছে তার মধ্যে সমান্তরাল বিষয় চিনুন। অনুগ্রহ করে উপলব্ধি করুন যে একই ধারণাটি কার্যকর রয়েছে। লাদাখে চিনা বাহিনী বসে আছে আর ডোকলামেও চিনা বাহিনী রয়েছে। চিনারা যা বলছে তা হল আমরা আপনার আঞ্চলিকতাকে স্বীকার করি না এবং আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আপনার সম্পর্ককে মেনে নিই।”

আরও পড়ুন- ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধ বিমান অবতরণে এবার প্রস্তুত করা হছে বাংলার হাইওয়েগুলিকে

ওয়ানাডের সাংসদ দুই রাশিয়া এবং ইউক্রেনে পরিস্থিতি ও ভারত-চিনের অবস্থার মিলকেই প্রকাশ্যে তুলে ধরতে চেয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন, “সুতরাং আমাদের বুঝতে হবে যে সীমান্তে একটি সমস্যা রয়েছে এবং আমরা এটি পছন্দ করি বা না করি, আমাদের সেই সমস্যার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। কারণ আমরা পাহারা দিতে চাই না।” প্যাংগং হ্রদের উপর একটি চীনা সেতু সম্পর্কে সর্বশেষ প্রতিবেদনের উল্লেখ করে রাহুল গান্ধী বলেছেন, “তারা স্পষ্টতই কিছুর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু সরকার এ নিয়ে কথা বলতে চায় না। সরকার আলোচনা বন্ধ করতে চায়। এটা ভারতের জন্য খারাপ।” চিনা বাহিনী বর্তমানে ভারতের অভ্যন্তরে বসে পরিকাঠামো স্থাপন করছে বলেই অভিযোগ করেছেন তিনি।