দিল্লিতে বাংলা বইয়ের চাহিদা মেটাতে মাত্র দুটি পুস্তক বিপণি

0
338

সুমনা কাঞ্জিলাল, নয়াদিল্লি: দিল্লি ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বাঙালির সংখ্যা প্রায় আনুমানিক ১৯ লক্ষ, আর তাঁদের জন্য বাংলা বইয়ের দোকানের সংখ্যা মাত্র দুই! অবাক লাগলেও এটাই সত্যি যে গোল মার্কেটে মুক্তধারা পুস্তক বিপনী এবং চিত্তরঞ্জন পার্কে আনন্দ পাবলিশার্স ছাড়া এই বিরাট এলাকায় খাঁটি বাংলা বইয়ের দোকান আর নেই।

বেঙ্গল অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালিত মুক্তধারা পুস্তক বিপনী দিল্লির বাঙালিদের বই এর খিদে মেটাতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। ২০০৫ সাল থেকে এই দোকানটিতে প্রায় সব প্রকাশনার বাংলা বই বিক্রি করে আসছে। এখানে ক্রেতারা বিশেষ ছাড়ে বাংলা বই কিনতে পারেন। এছাড়া বেশ কিছু পুরোনো বইয়ের সংগ্রহ আছে এই দোকানে, যেগুলির বিক্রির উপর মোটা ছাড় দেওয়া হয়। রবিবার এবং সরকারী ছুটির দিন ছাড়া সপ্তাহের বাকি দিনগুলিতে সকাল ১১টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে। এখানেও বইক্রেতাদের আনাগোনা চোখে পড়ার মতো।

- Advertisement -

২০১২-র ২ অক্টোবর উদ্বোধন হয়েছিল আনন্দ পাবলিশার্সের চিত্তরঞ্জন পার্কের বিক্রয়কেন্দ্রটির। এখানে বাংলা সাহিত্যের অগ্রণী এই প্রকাশনা সংস্থার প্রকাশিত সমস্ত বই পাওয়া যায়। সপ্তাহের যে-কোনো দিন সকাল ১০-৩০ থেকে সন্ধে ৮-৩০ পর্যন্ত আনন্দ খোলা থাকে। কলকাতার মূল বিক্রয়কেন্দ্রের ছায়ায় আনন্দ পাবলিশার্সের অন্য দোকানের মতো সুবিধা এখানে পাওয়া যায়।

তাহলে কি দিল্লিতে আরও বাংলা বইয়ের দোকানের প্রয়োজন আছে?

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা শাশ্বতী গাঙ্গুলী বললেন প্রায় ২৪ বছর দিল্লিতে আছি, প্রথমে সরস্বতী বুক ডিপো বলে একটি বইয়ের দোকান থাকলেও পরবর্তীতে সেটি বন্ধ হয়ে যায়, এখন এই দুটি দোকান এবং অনলাইনই পাঠকদের ভরসা। ভবিষ্যতে আরও বই এর দোকান আসা করা যায় , তবে ভাল পাঠকের সংখ্যাও বাড়তে হবে।

দিল্লি বেঙ্গল অ্যাসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক তপন সেনগুপ্ত বললেন মুক্তধারা পুস্তক বিপনীতে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা পাঠক্রমের প্রায় সব বই এখানে পাওয়া যায়। মুক্তধারা দিল্লির লেখকদের উৎসাহিত করার জন্য প্রকাশনার ব্যবস্থাও করেছে।