হলুদ গোলাপ হাতে মমতা, মোদীর সঙ্গে কি বন্ধুত্বের বার্তা

0
19

নয়াদিল্লি : শুক্রবার বিকেলেই বৈঠক সারলেন মোদী-মমতা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দিল্লির বাসভবনে হাজির হলেন মমতা। হলুদ গোলাপ হাতে নরেন্দ্র মোদীর দরজায় করা নাড়লেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকের আগেই হলুদ গোলাপের তোড়া ও বাংলার বিশেষ মিষ্টি দিলেন প্রধানমন্ত্রীকে। বন্ধুত্বের রঙ হলুদ। তবে কি রাজ্য কেন্দ্র দ্বন্দ্ব আবার ছন্দে ফিরতে চলেছে? রাজনৈতিক সমালোচকরা মনে করছেন, এই হলুদ গোলাপ কিছু বার্তা অবশ্যই দিচ্ছে। তবে শুধু তাই নয়, একাধিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা সারলেন তাঁরা। কিন্তু কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতের সমাধান কতটা হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বারবার।

প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে বৈঠক সারলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যের যা অবস্থা সেই পরিপ্রেক্ষিতে এই বৈঠক যে গুরুত্বপূর্ণ তা বোঝাই যাচ্ছে। মোদী-মমতা বৈঠক নিয়ে আগেই কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল, ১০০ দিনের কাজ থেকে নানান প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রের কাছে যে পাওনা টাকা আছে, যার কথা বারবার মমতা উল্লেখ করেছেন, সেই বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। কিন্তু এই বৈঠকের আরেকটি মুখ্য বিষয় হতে পারে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং রাজ্যের বিরধী শিবিরের তা নিয়ে রাজ্য সরকারকে কোণঠাসা করা।

একদিকে রাজ্যের বিরোধী দলের নেতারা তৃণমূল দলনেত্রীর বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ তুলছেন বারবার। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বসছেন মমতার সঙ্গে। এই জট ছাড়াতে গিয়ে তৃণমূলকে কোণঠাসা করার ছক একটু ওলটপালট হয়ে যাবে বিজেপি শিবিরের। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। নিন্দুকেরা বলছেন, বঙ্গ বিজেপির সঙ্গে এরকম সম্পর্কের মধ্যে মোদীর সঙ্গে বৈঠক কি বিরোধী শিবিরকে চুপ করানোর নতুন ফন্দি? তবে এই জল্পনাকে উড়িয়ে দিয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ট্যুইট করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় প্রধানমন্ত্রি-মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক স্বাভাবিক। তবে এই বলেই তিনি থেমে থাকেননি। তিনি ফের মনে করিয়ে দিয়ে বলেছেন, মমতা প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অশোভনীয় ভাষা ব্যবহার করতেই অভ্যস্ত। কংগ্রেস ও সিপিআইএম যে রাজনৈতিক ছকের কথা বলছে তা অপ্রাসঙ্গিক।