সন্ত্রাসবাদে অর্থসাহায্য, বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়াসিন মালিককে এই কঠিন সাজা দিল আদালত

0
22

নয়াদিল্লি: জম্মু-কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়াসিন মালিকের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে অর্থসাহায্যর মামালা প্রমাণিত হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণ হওয়ার পরেই পরেই ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA) বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়াসিন মালিকের মৃত্যুদণ্ডের দাবি তুলেছিল। তবে মৃত্যুদণ্ড নয় জঙ্গি কার্যকলাপে অর্থায়নের মামলায় বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

কাশ্মীরি বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়াসিন মালিককে আজ দিল্লির একটি বিশেষ আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি সর্বোচ্চ সাজা, মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছিল অন্যদিকে প্রতিরক্ষা পক্ষ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আবেদন করেছিল। ইয়াসিন মালিক হলেন জম্মু-কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টের নেতা। সাজা প্রসঙ্গে আইনজীবী উমেশ শর্মা বলেছেন, “দুটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাঁচটি শাস্তি দেওয়া হয়েছে। সমস্ত সাজা একই সাথে চলতে হবে। ১০ লাখের বেশি আর্থিক জরিমানাও আরোপ করা হয়েছে,” বিভিন্ন মামলায় বিভিন্ন কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তবে ইয়াসিন মালিকের কাছে এখন হাইকোর্টে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন- কপিল সিব্বল জানালেন ২০২৪ -এর গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের আগে কংগ্রেস ছাড়ার কারণ

শুনানির সময়, ইয়াসিন মালিক যুক্তি দিয়েছিলেন যে তিনি যদি অপরাধী হন তাহলে অটল বিহারী বাজপেয়ীর নেতৃত্বাধীন ভারত সরকার কেন তাকে একটি পাসপোর্ট দেবে এবং বিশ্বজুড়ে ভ্রমণ এবং কথা বলার অনুমতি দেবে। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য তিনি আরও দাবি করেছিলেন যে, ১৯৯৪ সালে অস্ত্র ছেড়ে দেওয়ার পর থেকে তিনি মহাত্মা গান্ধীর নীতি অনুসরণ করেছেন। ইয়াসিন বলেছেন, “আমি তখন থেকেই কাশ্মীরে অহিংস রাজনীতি করে আসছি।” তবে ত ১০ মে ইয়াসিন মালিক আদালতকে জানিয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে এনআইএর দায়ের করা ১৬ (সন্ত্রাসী আইন), ১৭ (সন্ত্রাসী আইনের জন্য তহবিল সংগ্রহ), ১৮ (সন্ত্রাসী কার্যকলাপের ষড়যন্ত্র) এবং ২০ (সদস্য হওয়ার) ধারায় দায়ের করা মামলার বিরোধিতা তিনি করবে না। তবে এনআইএ-এর দাবি অনুযায়ী মৃত্যুদন্ড নয় আদালত শাস্তি হিসাবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে দিয়েছে ইয়াসিনকে। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পরেই শ্রীনগরের নিরাপত্তা আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে বন্ধ করা হয়েছে ইন্টারনেট সংযোগ।