“সময়মত ন্যায়দানের জন্য…”, ‘সংবিধান দিবসে’ বললেন প্রধানমন্ত্রী

0
30
Narendra Modi

নয়াদিল্লি: শনিবার ‘সংবিধান দিবস’ উপলক্ষ্যে সর্বোচ্চ আদালতে একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। ভারতের বিচার ব্যবস্থাকে উন্নত করতে এদিন ভার্চুয়াল জাস্টিস ক্লক, JustIS মোবাইল অ্যাপ ২.০ ডিজিটাল কোর্ট এবং S3WaaS নানক একটি ওয়েবসাইটের উদ্বোধন করেছেন তিনি। এদিনের অনুষ্ঠানে মোদী বলেন, “ভারতে দ্রুত ন্যায়বিচার প্রদানের জন্য বিচারবিভাগ একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।” তিনি আরও বলেন, “ভারতের কাছে নতুন নতুন সুযোগ আসছে। সব ধরণের বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে যাচ্ছে ভারত।

আরও পড়ুন- বিদেশে চাহিদা বাড়ছে ভারতীয় চিনির , এবার কী নির্দেশিকা শিথিলের পথে দেশ

- Advertisement -

আজ থেকে কয়েকদিন পরেই G-20 প্রেসিডেন্সি পাবে ভারত। টিম ইন্ডিয়া হিসেবে সমগ্র বিশ্বের সামনে ভারতের সম্মান রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সবার একত্রিত হয়ে পালন করতে হবে”। প্রসঙ্গত, ‘সংবিধান দিবসে’ ই-কোর্ট প্রকল্পের আওতায় একগুচ্ছ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন মোদী (Narendra Modi)। এদিন তিনি বলেন, “গণতন্ত্রের মা হিসেবে আমাদের দেশ সাংবিধানিক বিশ্বাসকে আরও মজবুত করছে। আমরা দরিদ্র, মহিলা এবং পিছিয়ে পড়াদের জন্য সহজ আইনি ব্যবস্থার বন্দোবস্ত করছি।” “সমগ্র বিশ্ব ভারতকে বাহবা দিচ্ছে” বলেও উল্লেখ করেন তিনি। উল্লেখ্য, ১৯৫০ সালের আজকের দিনটি থেকে অর্থাৎ, ২৬ নভেম্বর থেকে ভারতের সংবিধান কার্যকর হয়েছিল।

আরও পড়ুন- রেশনে মিলছে ‘প্লাস্টিকের চাল’, অভিযোগ গ্রাহকদের

সেই ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণে রেখে ২০১৫ সালের ১৯ নভেম্বর মোদী সরকার একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘোষণা করে, যে ২৬ নভেম্বর দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের ‘সংবিধান দিবস’ হিসেবে পালিত হবে। শনিবার, একটি ভিডিও টুইট করে দেশবাসীর কাছে সংবিধানের গুরুত্ব এবং এই দিনটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। প্রসঙ্গত, ১৯৫১ সালে প্রথমবার সংবিধানের সংশোধন করা হয়। যেখানে, মৌলিক অধিকারের প্রয়োগকে সীমাবদ্ধ রেখে যে কোনও সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসর শ্রেণি বা তফসিলি বর্ণ ও উপজাতি সম্প্রদায়ের বিভাগগুলির অগ্রগতির জন্য স্বীকৃত পদক্ষেপ গ্রহণে রাজ্যকে ক্ষমতায়িত করার কথা ব্যক্ত করা হয়েছিল। এরপর ২০১৯ সালে ১০৩ তম সংশোধন করা হয়েছিল।