নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারত-পাক সীমান্তে ড্রোনের কার্যকলাপ

0
24

চণ্ডীগড়: ভারতের নিরাপত্তার জন্য ড্রোন হুমকি বর্তমানে সেনাবাহীর কাছে বড় চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে উঠেছে। এর পিছনে রয়েছে ভারতের সেই চিরশত্রু পাকিস্তান। মাদক চোরাচালান থেকে অস্ত্র সরবহরা এই সমস্ত বেআইনি কাজ সীমান্তের ওপার বসে চালিয়ে যাচ্ছে। বিএসএফ-এর কড়া নিরাপত্তা এড়ানো যাচ্ছে না বলেই ড্রোনের ব্যবহার শুরু হয়েছে। এই বিষয় নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সুরক্ষাকর্তারা।

পাঞ্জাবের ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের বেশ কয়েকটি পয়েন্টে চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত ১৫০ টিরও বেশি ড্রোনের কার্যকলাপ লক্ষ্য করা গিয়েছে। শুধু তাই নয় ভারতে থাকা পাক সন্ত্রাসবাদীদের সাহায্য করার জন্য মাদক, অস্ত্র এবং গোলাবারুদ ড্রোনে করে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। কর্মকর্তারা বলেছেন, ড্রোনের চলাচল নিরাপত্তা সংস্থাগুলির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে পাঞ্জাবে। ২০১৯ সাল থেকেই পাঞ্জাবর পাক সীমান্তে এই গতিবিধি লক্ষ্য করা গিয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল বিস্ফোরক। সেনা কর্তারা জানিয়েছেন, বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF) যারা পাকিস্তানের সাথে সীমান্তের ৫৫৩ কিলোমিটার প্রসারিত এলাকায় পাহারা দিচ্ছে তারা এই বছর ১০ টি ড্রোন গুলি করে ধ্বংস করেছে।

- Advertisement -

কর্মকর্তারা বলেছেন যে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ISI দ্বারা সমর্থিত চোরাকারবারীরা সর্বনিম্ন শব্দ এবং উচ্চ স্তরে উড়তে সক্ষম অত্যাধুনিক এবং উচ্চমানের চিনা ড্রোন ব্যবহার করছে যাতে বিএসএফ-এর নজর এড়ানো যায়। বেশিরভাগ ড্রোন কার্যক্রম অমৃতসর এবং তারন তারান জেলায় আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর এলাকায় পরিলক্ষিত হয়েছে। ফিরোজপুর এবং গুরুদাসপুর এলাকাতেও ড্রোনের দেখা মিলেছে একাধিবার। এই অত্যাধুনিক মানব বিহীন যন্ত্র মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠছে। গত মাসেই বিএসএফ আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে পাকিস্তান থেকে পাচার করা মাদক ও অস্ত্র সংগ্রহ করতে আসা ভারতীয় চোরাকারবারিদের গুলি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এক বিএসএফ কর্মকর্তা বলেন, “যদি কোনো চোরাচালানকারী চালান গ্রহণ করতে আসে বা হামলা চালায়, তাহলে আইন আমাদের চোরাকারবারির ওপর গুলি চালানোর অনুমতি দেয়।” তবে যাই হোক দেশের নিরাপত্তায় সীমান্তে আরও সজাগ হয়েছে
ভারতীয় সেনারা।