তীব্র দাবাদহ থেকে চিড়িয়াখানার পশুদের সুরক্ষিত রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা করল কর্তৃপক্ষ

0
34

নয়াদিল্লি: তীব্র দাবাদহে পুড়ছে দেশের একাধিক রাজ্য । এমনকি চলতি বছরে গ্রীষ্মের তাপমাত্রা একাধিক জায়গায় গড়েছে রেকর্ড। বিশেষ করে দেশের রাজধানী পুড়ছে সূর্যের প্রখর তাপে। তাপমাত্রা পার করেছে ৪৫ ডিগ্রির গণ্ডি। এই নাজেহাল গরমে মানুষের যেমন কষ্ট হয় তেমনই কষ্ট হয় প্রাণীদেরও। শুধু তারা মুখে বলতে পারে না এটাই যা। এই প্রবল গরমে চিড়িয়াখানায় প্রাণীদের স্বস্তি দিতে রাজধানী দিল্লিতে করা হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। বলা হয়েছে এতে চিড়িয়াখানায় থাকা প্রাণীদের কষ্ট অনেকটাই কমবে।

দিল্লিতে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর ন্যশান্যাল জুওলজিক্যাল পার্ক চিড়িয়াখানায় প্রাণীদের জন্য তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দিল্লি চিড়িয়াখানায় প্রাণীদের জন্য স্প্রিংকলার, আইস স্ল্যাব এবং কুলার বসানো হয়েছে। নয়াদিল্লির ন্যাশনাল জুওলজিক্যাল পার্কের ডিরেক্টর তথা ইন্ডিয়ান ফরেস্ট সার্ভিস অফিসার ধর্মদেও রাই বলেছেন, “সকলেই জানেন দিল্লির চিড়িয়াখানাকে সবাই চেনে অনেক পুরনো চিড়িয়া ঘর বলে এবং বছরের পর বছর ধরে আমরা তাপের কথা মাথায় রেখে অনেক ইনবিল্ড সিস্টেম ইনস্টল করেছি।” তিনি আরও বলেছেন, কর্তৃপক্ষ সেখানে একটি এগ্রো নেট রেখেছেন যা চিড়িয়াখানায় থাকা প্রাণীদের ছায়া দেয় এবং প্রাণীদের কাছে তাপমাত্রা তাপমাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

নয়াদিল্লির ন্যাশনাল জুওলজিক্যাল পার্কের ডিরেক্টরের কথায়, “প্রথমত, প্রাণীদের কাছে তাপ কমানোর করার জন্য আমাদের প্রতিরক্ষার স্তর হল আমরা ঘেরে শেডের ব্যবস্থা করেছি। উদাহরণস্বরূপ, প্রাণীদের জন্য অনেক গাছ রয়েছে। যদি কোন কোনও গাছ না থাকে তবে আমরা সেখানে একটি এগ্রো নেট রাখি যা তাদের ছায়া দেয় এবং তাদের জন্য তাপমাত্রা হ্রাস পায়। দ্বিতীয়ত, তাদের স্নান করার জন্য ছোট পুকুর রয়েছে। তৃতীয়ত, হরিণের জন্য দেখা যায়, জলাশয় আছে, কিন্তু জমি ভেজা রাখার জন্য আমরা স্প্রিঙ্কলার বসিয়েছি।”

গরমের তাপ থেকে প্রাণীদের বাঁচাতে ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেছেন, যখন প্রচণ্ড তাপ থাকে, তখন চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ ভালুকের জন্য বরফের স্ল্যাবও ব্যবহার করে যা তাপমাত্রা কম রাখে এবং তারাও এটি উপভোগ করে। তিনি আরও বলেছেন, “তাপপ্রবাহ শুরু হওয়ার পর থেকে ক্রমাগত কুলার চলছে, জলাশয়ে সব সময় জল ভরে থাকে। আমরা নিয়মিত জল পরিবর্তন করি। এগুলি ছাড়াও যেহেতু দিল্লিতে খুব গরম তাই আমাদের কাছে কুলারও রয়েছে যা এমন দিনগুলিতে ক্রমাগত চালানো হয় এটি প্রাণীদের আরাম দেয়। ” ধর্মদেও রাই বলেছেন প্রতিটি চিড়িয়াখানা কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের জারি করা নির্দেশিকা অনুসারে তাদের খাদ্য তালিকা তৈরি করে।