জঙ্গিযোগের প্রমাণ, বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়াসিন মালিকের মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানাল NIA

0
32

শ্রীনগর: ইয়াসিন মালিক যিনি জম্মু-কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের মধ্যে অন্যতম। তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে জঙ্গিদের অর্থসাহায্যের অভিযোগ। যদিও এটা বর্তমানে অভিযোগ হিসাবেই নয় প্রমাণও হয়েছে। কাশ্মীর উপত্যকায় বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপে জঙ্গিদের অর্থ দিয়ে সাহায্য করার অভিযোগ প্রমাণ হওয়ার পরেই ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA) বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়াসিন মালিকের মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানিয়েছে।

ইয়াসিন মালিক হলেন জম্মু-কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টের নেতা। তদন্তকারী সংস্থাটি বিশেষ আদালতের বিচারক প্রবীণ সিংয়ের কাছে ইয়াসিন মালিকের মৃত্যুদণ্ডের দাবি করেছে। অন্যদিকে অপরাধ প্রমাণের পর আসামিপক্ষ মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে ইয়াসিনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চেয়েছে। এনআইএ ১২১ ধারা (সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানো) এর অধীনে সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছে। এই অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি হল মৃত্যুদণ্ড আর সর্বনিম্ন শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। আদালত আগে জানিয়েছিল যে, ইয়াসিন মালিক “স্বাধীনতা সংগ্রামের” নামে জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী এবং অন্যান্য বেআইনি কার্যকলাপ চালানোর জন্য তহবিল সংগ্রহের জন্য বিশ্বজুড়ে একটি বিস্তৃত কাঠামো এবং প্রক্রিয়া তৈরি করেছিলেন।

আরও পড়ুন- দিদির রাজত্বে তৃণমূল নেত্রী সহ ৩০ টি পরিবার ‘ঘরছাড়া’

বিশেষ বিচারক প্রবীণ সিং ১৯ মে ইয়াসিন মালিককে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন এবং এনআইএ কর্তৃপক্ষকে তাঁর আর্থিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সঙ্গে এতাও জানিয়েছিলেন তাঁর সম্পত্তিরর উপর ভিত্তি করেই ইয়াসিনের উপর জরিমানা আরোপ করা হবে। কাশ্মীরের এই বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতার বিরুদ্ধে NIA জঙ্গি কার্যকলাপ, জঙ্গি সংগঠনের সদস্য হিসেবে কার্যকলাপ চালিয়ে যাওয়া, জঙ্গি কার্যকলাপের ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকা, ভারতে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র-সহ বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ দায়ের করেছে। তবে । গত ১০ মে ইয়াসিন মালিক আদালতকে জানিয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে এনআইএর দায়ের করা ১৬ (সন্ত্রাসী আইন), ১৭ (সন্ত্রাসী আইনের জন্য তহবিল সংগ্রহ), ১৮ (সন্ত্রাসী কার্যকলাপের ষড়যন্ত্র) এবং ২০ (সদস্য হওয়ার) ধারায় দায়ের করা মামলার বিরোধিতা তিনি করবে না।

আরও পড়ুন- রাজ্য সরকারই চোর, রেশন কেলেঙ্কারিতে সিবিআই তদন্তের দাবি

তবে শুধু ইয়াসিন নয় আদালত ইতিমধ্যে, ফারুক আহমেদ দার ওরফে বিট্টা কারাতে, শাব্বির শাহ, মাসারত আলম, মোঃ ইউসুফ শাহ, আফতাব আহমেদ শাহ, আলতাফ আহমেদ শাহ, নাঈম খান, মোঃ আকবর খান্ডে, রাজা মেহরাজউদ্দিন কালওয়াল সহ কাশ্মীরি বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। লস্কর-ই-তৈবা প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সাইদ এবং হিজবুল মুজাহিদিন প্রধান সৈয়দ সালাহউদ্দিনের বিরুদ্ধেও চার্জশিট পেশ করেছে এনআইএ।