ভারতীয় সেনাবাহিনীতে গোর্খা জওয়ানদের ওপর নজর রাখছে চিনারা, সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

0
41

নয়াদিল্লি: ২০২০ সালে লাদাখ সীমান্তের গালওয়ানে ভারত-চিনা সেনার সংঘর্ষের পর থেকেই দুই দেশের সম্পর্কে ফাটল ধরেছে। সীমান্ত দখল নিয়ে ২০ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হওয়ার ঘটনা উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এখনও বেশ কিছু জায়গা নিয়ে মেটেনি বিবাদ। ভারত এবং চিনা সেনারা নিজেদের অবস্থানে রয়েছে। সেই আবহেই এবার সামনে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। শুধু ভারত নয়, ভারতীয় সেনাবাহিনীর ওপরও নজর রাখছে চিন। নেপালের মানুষের ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে আরও আগ্রহী হয়েছে।

এখনও পর্যন্ত গোর্খা রেজিমেন্টের উপরেই বেশি নজর রয়েছে চিনের। শুধু তাই নয় সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখার জন্য জিনপিং-এর দেশ নেপালের একটি স্থানীয় থিঙ্ক-ট্যাঙ্ককে নিয়োগ করেছে যাতে নেপালের যুবকদের ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগদানের বিষয়ে একটি গবেষণা চালানো হয়। এর সমীক্ষার মধ্যে রয়েছে কেন গোর্খারা ভারতীয় সেনাতে যোগদান করে, তাদের প্রত্যাশা কী (বিশেষত আর্থিক) এবং অন্যান্য বিষয়গুলির সাথে সম্পর্কিত। বেজিং কাঠমান্ডুর চিনা স্টাডি সেন্টারের মাধ্যমে থিঙ্ক-ট্যাঙ্কটিকে অর্থায়ন করেছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে বর্তমানে সাতটি গোর্খা রেজিমেন্ট রয়েছে, প্রতিটিতে পাঁচ বা ছয়টি ব্যাটালিয়ন রয়েছে যেখানে প্রায় ৪০ হাজার জওয়ান রয়েছে।

- Advertisement -

আরও পড়ুন- ভয়ঙ্কর, প্রেম করা নিয়ে সন্দেহের জেরে নাবালিকা মেয়েকে নৃশংস ভাবে খুন বাবার

ভারতের সেনাবাহিনীর উপর চিনের নজরের ঘটনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন সুরক্ষা কর্তারা। প্রায় তিন কোটি জনসংখ্যার দেশ নেপাল চিনা স্টাডি সেন্টারের বন্যায় ভাসছে। এই ছোট দেশে ইতিমধ্যে প্রায় ৩২ টি অধ্যয়ন কেন্দ্র রয়েছে এবং পরিকল্পনাটি প্রতি জেলায় কমপক্ষে ৭৭ টি বা প্রতিটি জেলায় একটি বা তারও বেশি রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। সীমান্তে কর্মরত ভারতীয় গোর্খা জওয়ানদের প্রভাব কারও অজানা নয়। সেখানেই চিনের নজর বিশেষ ভাবে ভাবাচ্ছে। তাই চিনের এই পদক্ষেপের উপর নজর রাখাছে ভারতও। ঠিক কোন উদ্দেশ্যে চিন এই কাজ করছে সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।