BJP: অভিনেতা আমির খান হিন্দু বিরোধী, তাঁর বিজ্ঞাপন হিন্দুদের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি করছে, বিস্ফারক মন্তব্য বিজেপি সাংসদের

0
32

মুম্বই: সামনেই দীপাবলি। আলোর উৎসবে মেতে উঠবে গোটা দেশ। সেই সময়ে বহু জায়গায় বাজি ও পটকা ফাটানো হবে। তবে সেই আওয়াজে মানুষের ও পরিবেশের ক্ষতি না হয় তাই সিয়াট লিমিটেডে টিভিতে একটি বিজ্ঞাপন দিচ্ছে। যেখানে বলিউড অভিনেতা আমির খানকে দেখা গিয়েছে রাস্তায় পটকা না ফেলার পরামর্শ দিতে। আমির খানের এই বিজ্ঞাপন নিয়ে এবার বিস্ফারক অভিযোগ করেছেন কর্নাটকের বিজেপি সাংসদ অনন্তকুমার হেগড়ে। বিতর্কিত বিজ্ঞাপনে অভিনয়ের জন্য অভিনেতা আমির খানের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন। অভিনেতাকে “হিন্দু বিরোধী” আখ্যা দিয়ে বলেন, তার বিজ্ঞাপনটি “হিন্দুদের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি করছে”।

বিজ্ঞাপনের প্রতি তীব্র আপত্তি জানিয়ে হেগড়ে কোম্পানির এমডি ও সিইও অনন্ত বর্ধন গোয়েঙ্কাকে জানিয়েছেন বিজ্ঞাপনটি “হিন্দুদের মধ্যে অশান্তি” সৃষ্টি করছে এবং সেই বিষয়ে নজর দেওয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন। গোয়েঙ্কাকে লেখা চিঠিতে উত্তর কন্নড় সাংসদ বলেছেন, “আপনার কোম্পানির সাম্প্রতিক বিজ্ঞাপন যেখানে আমির খান মানুষকে পরামর্শ দিচ্ছেন, রাস্তায় পটকা না ফাটানোর জন্য। একটি খুব ভাল বার্তা দিচ্ছে। জনসাধারণের সমস্যাগুলির জন্য আপনার উদ্বেগের জন্য সাধুবাদ দরকার।” একই সঙ্গে অভিনেতা এবং কোম্পানির প্রতি কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এই প্রসঙ্গে, আমি আপনাকে অনুরোধ করছি রাস্তার মানুষদের মুখোমুখি হওয়া আরও একটি সমস্যার সমাধান করার জন্য। অর্থাৎ শুক্রবার ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উৎসবের দিনে নামাজের নামে রাস্তা অবরোধ করা হচ্ছে।”

কর্নাটকের বিজেপি সাংসদ উল্লেখ করেছেন যে নামাজের সময় যখন মুসলিমরা ব্যস্ত রাস্তা অবরোধ করে এবং নামাজ যখন নামাজ পড়েন তখন অ্যাম্বুলেন্স এবং ফায়ার ফাইটার গাড়ির মতো যানবাহনগুলিও ট্র্যাফিকের কারণে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ে। তিনি বলেছেন, বিজ্ঞাপনে শব্দ দূষণের বিষয়টিও তুলে ধরা উচিত। এই প্রসঙ্গে তিনি বিজ্ঞাপন কম্পানিকে নিশানা করে বলেছেন, “আমি আপনাকে আপনার বিজ্ঞাপনগুলিতে শব্দ দূষণের বিষয়টি তুলে ধরার জন্য অনুরোধ করছি। প্রতিদিন, আজান দেওয়ার সময় আমাদের দেশে মসজিদের শীর্ষে সাজানো মাইক থেকে উচ্চ শব্দ নির্গত হয়। এই শব্দটি অনুমোদিত সীমার বাইরে।”

আক্রমণ শানিয়ে হেগড়ে আরও বলেছেন, “শুক্রবারে, এটি আরও কিছু সময়ের জন্য দীর্ঘায়িত হয়। এতে বিভিন্ন অসুখে ভোগা এবং বিশ্রাম নেওয়া, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মানুষ এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদানকারী শিক্ষকদের চরম অসুবিধা হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, ভুক্তভোগীদের এই তালিকাটি অনেক দীর্ঘ এবং মাত্র কয়েকটি এখানে উল্লেখ করা হয়েছে।” বিজেপি সাংসদ বাঁকা সুরে বিজ্ঞাপনদাতা কর্তাকে নিশানা করে আরও বলেছেন, “যেহেতু আপনি সাধারণ জনগণের সমস্যাগুলির প্রতি অত্যন্ত আগ্রহী, সংবেদনশীল এবং আপনিও হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত, আমি নিশ্চিত যে আপনি শতাব্দী ধরে হিন্দুদের প্রতি বৈষম্য অনুভব করতে পারেন। আজকাল, হিন্দু-বিরোধী অভিনেতাদের একটি দল সর্বদা হিন্দুদের অনুভূতিতে আঘাত করে যদিও তারা তাদের সম্প্রদায়ের অন্যায় কাজগুলিকে প্রকাশ করার চেষ্টা করে না।”