Bilkis Bano Case: ১১ জন ধর্ষকের মুক্তিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দারস্থ বিলকিস বানো

0
22
Bilkis Bano

নয়াদিল্লি: বিলকিস বানোর গণধর্ষণের ঘটনা গোটা দেশজুড়ে ঝড় তুলেছিল। সেই জঘন্য ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ১১ অপরাধীকে কয়েকমাস আগেই মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেয় গুজরাট সরকার। বিলকিসের ধর্ষকদের মুক্তি নিয়ে বিজেপি সরকারের কম সমালোচনা হয়নি। গুজরাট সরকাররে সেই সিদ্ধান্তের চ্যালেঞ্জ করে বিলকিস বানো (Bilkis Bano) সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছেন।

বিলকিস বানোকে ২০০২ সালের গুজরাট দাঙ্গার সময় তাঁর ণধর্ষণ এবং তার পুরো পরিবারকে হত্যা করার জন্য দোষী সাব্যস্ত ১১ জনের মুক্তিকে আজ সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। গুজরাট সরকার একটি পুরানো নীতির অধীনে ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসে দোষীদের মুক্তি দেয়। এই পদক্ষেপটি দেশব্যাপী ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দেয়। এমনকি ধর্ষকদের মালা পরিয়ে একটি হিন্দু সংগঠনের নায়কদের মতো স্বাগত জানানোর ছবিও প্রকাশিত হয়েছিল। গুজরাট সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করেই বিলকিস বানো সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের কাছে বিলকিস বানোর আইনজীবী এই মামলাকে তালিকাভুক্ত করার অনুরোধ জানিয়েছেন বলেই জানা গিয়েছে। অন্যদিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। বিলকিস বানো তাঁর আবেদনে বলেছেন যে ১১ পুরুষদের মুক্তির সিদ্ধান্ত গুজরাটের পরিবর্তে মহারাষ্ট্রের নেওয়া উচিত, যেখানে বিচার হয়েছিল।

- Advertisement -

আরও পড়ুন- মুদ্রাস্ফীতির পর দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা কি, মেগা চাকরি মেলায় জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

উল্লেখ্য, ১১ জনের মুক্তি নিয়ে গুজরাট সরকার কেন্দ্রের অনুমোদনের কথা উল্লেখ করেছে। দোষীদের একজনের আবেদনের সেই রায়ে, সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল যে গুজরাট সরকার তাকে ১৯৯২ সালের ক্ষমা নীতির অধীনে মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে বিবেচনা করতে পারে। তবে গুজরাট সিবিআই এবং বিশেষ বিচারকের কঠোর আপত্তি খারিজ করে ১১ জনকে মুক্তি দিয়েছে। বিলকিস বানো ২১ বছর বয়সে গণধর্ষিত হয়েছিল যেখানে তাঁর তিন বছরের মেয়ে সহ তাঁর পরিবারের নয়জন সদস্যকে হত্যা করা করেছিল। গোধরা ট্রেনে আগুনের পরে গুজরাট জুড়ে যে দাঙ্গা হয়েছিল তাতে ৫৯ জন তীর্থযাত্রী মারা গিয়েছিল।