মহারাষ্ট্রের পাল্টা বিহার, ম্যাচ এখন ড্র 

0
36

খাস খবর ডেস্ক : ৪১ দিনের ব্যবধানে ফের কোনও এক রাজ্যের একজন মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের সাক্ষী হল ভারতবাসী। তবে প্রথমবারের মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনাটি ছিল ক্ষমতা হারানো সম্রাটের মতো, আর এবারের পদত্যাগ নিজের সাম্রাজ্য রক্ষা অপছন্দের লোকেদের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার একটি অভিপ্রায় হিসেবে বিবেচিত হবে রাজনীতির ইতিহাসে। 

আরও পড়ুন : ক্রমেই একা হচ্ছে বিজেপি, শেষ আঠারো মাসে নীতীশ সহ তিন শরিক সম্পর্ক ছিন্ন করল 

- Advertisement -

২৯ জুন দেশের পশ্চিম প্রান্তে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন মহা বিকাশ আঘাদি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে, ৯ অগাস্ট বিহারের এনডিএ সরকারের পতন ঘটিয়ে বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে দূরে সরিয়ে দিলেন নীতীশ কুমার। এতে অনেকেই বলছেন, মহারাষ্ট্রের পাল্টা দেওয়া হল মগধভূমে। যদিও বিহারের রাজনীতি চিরকালই প্রতিরোধের, প্রতিবাদের এবং বর্ণময়। ২০১৫ সালে মোদী-শাহের অশ্বমেধের ঘোড়া বিহারেই প্রথম আটকে দিয়েছিলেন দুই বন্ধুর জুটি, তারা হলেন লালু-নীতীশ, ভারতের দুই প্রাক্তন রেলমন্ত্রী। ভারতের গণতন্ত্রের অন্যতম পীঠস্থান মনে করা হয় প্রাচীন বৈশালীকে, সেই জনপদ তো বিহারেই অবস্থিত। 

লোকসভা নির্বাচনের দুই বছর আগে বিরোধীদের হাত থেকে মহারাষ্ট্র চলে যাওয়ার পর দেশের রাজনীতিতে বিরোধী শক্তির অস্তিত্ব খুঁজে বের করা কঠিন হয়ে পড়েছিল, এবার বিহারের ঘটনা কিছুটা হলেও বিরোধী শিবিরকে উজ্জীবিত করবে আগামীর নির্বাচনগুলিতে লড়াই করার জন্য। বিজেপির হাতে মহারাষ্ট্র এলো, বিহার চলে গেল। অনেকটা রবীন্দ্রনাথের গানের মতো, “শুধু যাওয়া আসা”। তবে অনেকে এই কথাও মনে করিয়ে দিচ্ছেন, মহারাষ্ট্রে সরকার ফেলতে বিজেপি যে ভূমিকা নিয়েছিল, সুযোগ পেলে সেই ভূমিকা যে বিরোধীরাও নিতে পারে, তা প্রমাণ করল একবিংশ শতাব্দীর বিশের দশকের মগধভূম।