বিজেপির অর্ধেক নেতাকে জেলে পাঠাতে একদিনের জন্য সিবিআই-ইডি নিয়ন্ত্রণ চাইলেন কেজরি

গত সাত বছরে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি ১৬৭টি মামলা দায়ের করেছে।

0
23
Arvind Kejriwal

নিউ দিল্লি : কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি বেছে বেছে দলীয় নেতাদের টার্গেট করছে। এই অভিযোগ বার বার তুলতে দেখা গেছে শাসকদল তৃণমূলকে। একই অভিযোগ রয়েছে আম আদমি পার্টিরও। সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (arvind kejriwal) মন্তব্য, ‘‘আমার হাতে এক দিনের জন্য ইডি এবং সিবিআইয়ের নিয়ন্ত্রণ দেওয়া হোক। তার পর দেখুন কী ভাবে বিজেপির অর্ধেক নেতা জেলে যাচ্ছেন।’’

আরও পড়ুন : বিশ্বকাপে ছোট দলকে অবজ্ঞা করলেই বিপদ, বলছেন এই ফরাসি তারকা

- Advertisement -

প্রসঙ্গত বেআইনি আর্থিক লেনদেনের মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়ে গত ছ’মাস জেলে রয়েছেন দিল্লির মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। সম্প্রতি দিল্লির মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনর একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়। যেখানে দেখা যাচ্ছে আর্থিক তছরুপের দায়ে গ্রেফতার হওয়া আম মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন (Satyendra Jain) জেলের ভিতর নিজের পছন্দের রাজকীয় খাবার খাচ্ছেন। ভিডিওতে দেখা যায়, খিদে বৃদ্ধিকারক খাবার দিয়ে ভোজন শুরু করার পর স্যালাড সহ অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার খাচ্ছেন মন্ত্রী। সেইসঙ্গে তাঁর জন্য কেনা পানীয় জলের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। একজন কর্মী তাঁকে খাবার সাজিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে তাঁর চেয়ারের কাছে একটি ডাস্টবিনও রেখে দিয়েছেন। বলা বাহুল্য, রৌস অ্যাভিনিউ কোর্ট জেলের ভিতর মন্ত্রীর রাজকীয় খাবার দেওয়া নিয়ে তিহার জেল কর্তৃপক্ষের বয়ান চাওয়ার পর দিনই এই ভিডিওটি সামনে আসে। আপের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, সত্যেন্দ্র জৈন মন্দির না গিয়ে সাধারণ খাবার খান না এবং তিনি বর্তমানে ফলাহারই করছেন। এই ভিডিওটি সামনে আসার কিছু দিন আগেই জেলে আরও একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যেখানে সত্যেন্দ্র জৈনকে তেল মালিশের ভিডিও সামনে আসে। পাশাপাশি আবগারি-দুর্নীতিতে অভিযুক্ত দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসৌদিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের সঙ্গে তাঁর একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি অভিযান চালায় সিবিআই। এই পরিস্থিতিতে একদা দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনের নেতা কেজরী অভিযুক্ত নেতাদের পক্ষেই সওয়াল করেছেন। তাঁর দাবি, সত্যেন্দ্র-মণীশদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত’।

আরও পড়ুন : আজ ফের হাইকোর্টে হাজির শিক্ষাসচিব মণীশ জৈন

বিজেপির দুর্নীতি ফাঁসের হুমকি দিয়ে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (arvind kejriwal) দাবি, তাঁদের দলের নেতাদের বিরুদ্ধে গত সাত বছরে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি ১৬৭টি মামলা দায়ের করেছে। তিনি বলেন, ‘‘এর মধ্যে প্রায় দেড়শোটি মামলা থেকে আমাদের নেতারা মুক্তি পেয়েছেন। বাকিগুলি বিচারাধীন। আমার বিশ্বাস, সেগুলি থেকেও তাঁরা নির্দোষ প্রমাণিত হবেন।’’