Food Crisis: ভারতের প্রায় ৯ কোটি মানুষকে অনাহারে দিন কাটাতে হবে

0
54

খাস খবর ডেস্ক: তীব্র খাদ্য সঙ্কটের মুখোমুখি হতে চলেছে ভারত। কখনও পৃথিবীর ফুসফুস আমাজনে আগুন, আবার কখনও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বন্যা পরিস্তিতি। এই জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে, বিশ্বজুড়ে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা। আর তার ফলেই, ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের প্রায় ৯ কোটি মানুষকে অনাহারে দিন কাটাতে হবে। আন্তর্জাতিক খাদ্য নীতি গবেষণা কেন্দ্রের বৈশ্বিক খাদ্য নীতি রিপোর্ট ২০২২-এর গবেষণায় এমনই ভয়ঙ্কর তথ্য উঠে এসেছে।

আরও পড়ুনঃ গ্রেফতারির ‘ভয়ে’ আগাম জামিনের আবেদন করলেন কার্তি চিদম্বরম

গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে কৃষি ও খাদ্য সংকট দেখা দিতে চলেছে।  জলবায়ু বদলের জেরে ভারতে চাল উত্‍পাদন ১০ থেকে ৩০ শতাংশ কমতে পারে। এই সংকটে সবচেয়ে বেশি বিপদের মুখে রয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। কারণ, কৃষিপ্রধান দেশ ভারতে কখনও অতিবৃষ্টি কখনও অনাবৃষ্টি এই সবের জেরে চাষের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক পরিবেশ আর থাকছে না। যার ফলে আগের তুলনায় ফলন কমতে শুরু করেছে। মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যেই ভারতেও খাদ্য সঙ্কট দেখা দেবে। এর জেরে অনাহারে দিন কাটাতে হবে আরও ২৩ শতাংশ বেশি ভারতবাসীকে।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা জানেন, শুনলে অবাক হবেন

একইসঙ্গে, এই রিপোর্টে ভারতের মধ্যে তাপমাত্রার বৃদ্ধির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। অনুমান করা হয়েছে, ২১০০ সালের মধ্যেই ভারতের গড় তাপমাত্রা ২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পৌঁছে যেতে পারে। একই সময়ে গ্রীষ্মকালে তাপপ্রবাহের পরিমাণ তিন থেকে চারগুণ বাড়তে বলে সতর্ক করা হয়েছে। গবেষকদের আশঙ্কা, তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পর্যায়ক্রমে কমবে ভারতের কৃষি ফলন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ২০৪১ থেকে ২০৬০ সালের মধ্যে কৃষিজ উত্‍পাদন ১.৮ থেকে ৬.৬ শতাংশ কমে যেতে পারে। ২০৬১ থেকে ২০৮০ সালের মধ্যে কৃষিজ উত্‍পাদন ৭.২ থেকে ২৩.৬ শতাংশ পর্যন্ত কমার আশঙ্কা রয়েছে।

তবে শুধু আশঙ্কা প্রকাশ নয়, পরিস্থিতি মোকাবিলায় কি করা উচিত সেই নির্দেশনা তুলে ধরা হয়েছে আন্তর্জাতিক খাদ্য নীতি গবেষণা কেন্দ্রের গবেষণায়। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘ভারতে গ্রিনহাউস নির্গমন কমাতে জলের অভাবে থাকা উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্যগুলিকে চালের পরিবর্তে অন্য বিকল্প ফসল উত্‍পাদন করতে পারে।’