যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত আসামিকে আমৃত্যু শাস্তি পেতে হবে, জানাল আদালত

0
51

খাস খবর ডেস্ক: যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের প্রাথমিক অর্থ ৩০ বছর কারাদণ্ড। সে ক্ষেত্রে একজন আসামি রেয়াতের সকল সুবিধা পাবেন। কিন্তু, এখন থেকে আর তা হবে না, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে আসামি যতদিন বেঁচে থাকবেন অর্থাত্‍ তার মৃত্যু পর্যন্ত তিনি শাস্তি ভোগ করবেন, এই বিষয়টি স্পষ্ট করে দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট।

আরও পড়ুনঃ জোর করে ক্রীতদাসে পরিণত করা হচ্ছে, প্রতিবাদে ডেপুটেশন বিক্ষোভ স্কুল করণিকদের

এলাহাবাদ হাইকোর্ট এই বিষয়ে জানিয়েছে, আদালত এই সাজা বছরের সংখ্যায় নির্ধারণ করতে পারে না। এটি অভিযুক্তের স্বাভাবিক জীবন পর্যন্ত প্রসারিত। আদালতের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ন্যূনতম ১৪ বছরের কারাদণ্ডের পরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা মুকুব করা রাজ্য সরকারের বিবেচনার বিষয়। তবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের অর্থ অভিযুক্তের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত শাস্তি।

আরও পড়ুনঃ ‘গরু, বালির টাকা তো ভাইপো নিজে খেয়েছে’, শুভেন্দু তালিকা দিয়ে বললেন কারা কারা যাবেন জেলে

খুনের অভিযোগে অভিযুক্তরা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করার শাস্তি পেয়েছিলেন। তারা ইতিমধ্যেই কারাদণ্ড ভোগ করেছেন প্রায় ২১ বছর , কিন্তু তারা যখন মুক্তির আবেদন করেন, তা নাকচ করে দেওয়া হয়। মাহোবা জেলার কুলপাহার থানার অধীনে ১৯৯৭ সালের হত্যা মামলায় দায়ের করা ফুল সিং এবং অন্যদের তিনটি আপিল খারিজ করার সময় বিচারপতি সুনিতা অগ্রবাল এবং বিচারপতি সুভাষ চন্দ্র শর্মার একটি ডিভিশন বেঞ্চ এই আদেশ দিয়েছে। আদালত নিম্ন আদালতের রায় বহাল রেখেছেন।

আদালত ফুল সিং, কাল্লু , যোগেন্দ্র এবং অন্যদের দায়ের করা আপিলের শুনানি করছিলেন যাদেরকে হত্যার মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছিল। মাহোবার জেলা আদালত হত্যাসহ আইপিসির বিভিন্ন ধারায় তিন অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিল। কিন্তু ট্রায়াল কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন তিন আসামি। আবেদনকারীদের পক্ষে বলা হয়, তারা ২০-২১ বছর ধরে কারাগারে রয়েছেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আবেদনকারীরা তাদের মুক্তির দাবি জানান।

আদালত দেখেছে, যে বিষয়টি রাজ্য সরকারের প্রণীত নীতির অধীনে রয়েছে। অভিযুক্ত ফুল সিং এবং কাল্লু ইতিমধ্যেই এই মামলায় কারাগারে রয়েছেন, তাই আদালত উভয় আবেদনকারীর বিষয়ে কোনও আদেশ দেয়নি। তবে আদালত সংশ্লিষ্ট আদালতকে হরি ওরফে হরিশ চন্দ্র ও চরণ নামের আপিলকারীদের হেফাজতে নিয়ে বাকি সাজা ভোগ করতে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।