কাশ্মীরে সেনা-জঙ্গির রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে খতম তিন লস্কর জঙ্গি, শহিদ এক পুলিশ কর্মী

0
36
Grenade Attack

শ্রীনগর: বিগত কয়েকমাস ধরেই কাশ্মীর জুড়ে বেড়েছে সন্ত্রাসবাদীদের উপদ্রব। খুন করা হচ্ছে সেনা, সাধারণ মানুষ, কাশ্মীরী পন্ডিত সহ পরিযায়ী শ্রমিকদের। এতেই নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে উপত্যকা জুড়ে। তবে থেমে নেই ভারতীয় সেনা, সন্ত্রাসবাদীদের উপস্থিতি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গেই আরও জোরাল করা হয়েছে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযান। তাতেই মিলছে সাফল্য। বুধবারবারামুল্লায় একটি এনকাউন্টার চলাকালীন খতম হয়েছে পাকিস্তান ভিত্তিক সন্ত্রাসীবাদী গোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদের (LeT) তিনজন জঙ্গি। তবে এই অভিযানে শহিদ হয়েছে এক পুলিশ কর্মী।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান শুরু করেছিল সেনা। জম্মু-কাশ্মীরের বারামুল্লার ক্রিরি এলাকায় নাজিভাত ক্রসিংয়ে সেনা-জঙ্গির মধ্যে এই এনকাউন্টারটি শুরু হয়েছিল। কাশ্মীর জোন পুলিশ টুইট করে জানিয়েছে, “তিন পাকিস্তানি সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। এই সুযোগের এনকাউন্টারে একজন জেকেপি কর্মীও শহিদ হয়েছেন। অস্ত্র ও গোলাবারুদ সহ অপরাধমূলক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।” জম্মুকাশ্মীর পুলিশের পক্ষ থেকে এই ঘটনাকে সেনার বড় সাফল্য হিসাবেই মনে করা হচ্ছে। তিন লস্কর জঙ্গিকে খতম করার সঙ্গে সঙ্গেই বিপুল পরিমাণে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। যেগুলি উপত্যকায় নাশকতার কাজে ব্যবহার করা পরিকল্পনা ছিল বলেই বলেই সন্দেহ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন- কংগ্রেস ছাড়লেন কপিল সিব্বল

উল্লেখ্য, কয়েকসিন আগেই সীমান্তের সুরক্ষাবাহিনীকে জঙ্গি অনুপ্রবেশ নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। সীমান্তের পাশে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে প্রায় ২০০ জন জঙ্গি ভারতে অনুপ্রবেশ করবে বলে মুখিয়ে রয়েছে বলেই সতর্ক করা হয়েছে। বিপুল সংখ্যক জঙ্গি ভারতে যাতে অনুপ্রবেশ করতে না পারে সেই কারণে সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবারের এনকাউন্টারের পর জম্মু কাশ্মীর পুলিশের আইজিপি বিজয় কুমার বলেছেন , “আমরা জেএম-এর তিন পাকিস্তানি সন্ত্রাসবাদীকে খতম করেছি। তারা গত ৩-৪ মাস ধরে এই এলাকায় সক্রিয় ছিল এবং আমরা তাদের ট্র্যাক করছিলাম। এক পুলিশ সদস্যও শহিদ হয়েছেন। এই বছর  এখনও পর্যন্ত, আমরা ২২ পাকিস্তানী সন্ত্রাসবাদীকে খতম করেছি।”