সারাক্ষণ কানে হেডফোন, শ্রবণশক্তি হারাতে চলেছেন ১০০ কোটি তরুণ তরুণী

0
69
Headphones

খাস প্রতিবেদন: সারাক্ষণ কানে হেডফোন (Headphones)! জরুরি কথা বলা তো আছেই, তা ছাড়া গান শোনা কিংবা ভিডিও৷ বাসে, ট্রেনে তো বটেই, এমনকি অফিসে পারিপার্শ্বিক আওয়াজ থেকে বাঁচতেও অনেকে সারাক্ষণ হেডফোন ব্যবহার করেন! তাঁদের জন্য বিশেষ সতর্কবাণী নিয়ে হাজির বিশেষজ্ঞরা৷

তাঁরা বলছেন, যাঁরা দিনের পর দিন অস্বাস্থ্যকরভাবে শব্দ শুনছেন, তাঁরা অকালে হারাতে পারেন শ্রবণশক্তি! তাও আবার এক, আধজন নয়, বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এমন ধারা বদা. থাকলে আগামীদিনে বিশ্বের প্রায় ১০০ কোটি তরুণ তরুণী হারিয়ে ফেলতে পারেন তাঁদের স্বাভাবিক শ্রবণশক্তি!

- Advertisement -

সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে বিজ্ঞানপত্রিকা বিএমজে গ্লোবাল হেলথ। সেখানেই এমন ভয়াবহ আশঙ্কার কথা সামনে এনেছেন বিশেষজ্ঞরা। অস্বাস্থ্যকরভাবে শব্দ শোনার ওপর সম্প্রতি গবেষণা করেন মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ ক্যারোলিনার গবেষকরা। তাঁদের দাবি, সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এক, আধ জন নয়, প্রায় সাতষট্টি কোটি থেকে একশো পঁয়ত্রিশ কোটি মানুষ অস্বাস্থ্যকর ভাবে শব্দ শোনেন।

এই তালিকায় যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে সিংহভাগেরই বয়স ১২ থেকে ৩৪ বছরের মধ্যে৷ যাঁরা সপ্তাহে চল্লিশ ঘণ্টার বেশি হেডফোন (Headphones) ব্যবহার করেন৷ এবং পঁচাশি ডেসিবেল মাত্রার চেয়ে বেশি আওয়াজে শোনেন৷ যেটা অত্যন্ত ক্ষতিকারক৷ তাই গবেষকদের পরামর্শ, ফোনের নিয়ম মেনে চলুন৷ ফোনের ভলিউম বাড়াতে চাইলে ফোনের তরফ থেকে একটি মাত্রার পর সতর্কতা দেওয়া হয়৷ কোনও অবস্থাতেই সেই মাত্রাটিকে ছাড়িয়ে যাবেন না৷ তা না হলেই প্রভাব পড়বে শ্রবণশক্তির ওপর৷

আরও পড়ুন: গিয়েছিলেন চিকিৎসা করাতে, নকল ডাক্তার ‘চুরি’ করে নিল রোগীর দু’টি কিডনিই