লাদাখ দাপিয়ে এলেন জঙ্গলমহলের দুই ভ্রমণপিপাসু

0
56

তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: কখনও তুষারপাতের সৌন্দর্য্য আবার কখনও আগ্নেয়াস্ত্রের গর্জন। প্রকৃতি সুন্দরীর দুই রূপে মিলে মিশে একাকার লাদাখ।

কারণ, লাদাখ’ মানেই চোখের সামনে ওঠে রৌদ্রোকরোজ্জ্বল নীলাকাশ, ধ্যানগম্ভীর পর্বতমালা, পাহাড়ি হ্রদ আর পর্বতসারীর গা বেয়ে গড়ে ওঠা অসংখ্য উঁচু উঁচু বৌদ্ধ বিহার। তিব্বতীয় ধর্মাচরণের সঙ্গে এখানে বিশেষ রুপে মিলে মিশে গেছে বৌদ্ধধর্মও। তাই হয়তো এখানকার বাতাসেও মিশে আছে সুগভীর এক প্রার্থণা মন্ত্র ‘ওম মনিপদ্মে হুম’।

- Advertisement -

আর এসবের টানে মোটর বাইকে চেপে সুদূর লাদাখ দাপিয়ে এলেন বাঁকুড়ার জঙ্গল মহলের দুই ভ্রমণপিপাসু, রোমাঞ্চপ্রিয় প্রাথমিক শিক্ষক সন্দীপ কিস্কু, সমিত হেমব্রম। গত ৮ মে সারেঙ্গার নেতাজী মোড় থেকে দ্বিচক্রযানে চেপে যাত্রা শুরু। ২ হাজার ৪৪৮ কিলোমিটার পথ পাঁচ দিনে পাড়ি দিয়ে পৌঁছেছিলেন মনিপদ্মের দেশে। ভাল-মন্দ মেশানো নানান অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে, লাদাখ জয় শেষে ১৮ দিন পর বাড়ি ফিরেছেন তাঁরা।

বিপদ সংকুল রাস্তা আর আঁকাবাঁকা পাহাড়ি দূর্গমতা ভরা লাদাখ জয় মোটেই সহজসাধ্য নয়, এটা জেনে বুঝেই পর্বত সুন্দরীর টানে বাঁকুড়ার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে পাড়ি দিয়েছিলেন শিক্ষক সন্দীপ কিস্কু, সমিত হেমব্রমরা। সন্দীপ বলেন, “দীর্ঘ যাত্রা পথে মানুষের অভাবনীয় সহযোগিতা পেয়েছি। তবে লাদাখ জয়ের মুহূর্তের যে অনুভূতি তা বর্ণণা করা সম্ভব নয়।” একই সঙ্গে সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তাঁদের মন ছুঁয়ে গেছে বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে বাংলায় উন্নয়ন হয়েছে, কেন এমন দাবি BJP নেতার

বুধবার রাতেই লাদাখ জয় করে সারেঙ্গার মাটি স্পর্শ করার পর শিক্ষক সন্দীপ কিস্কু, সমিত হেমব্রমকে ফুল মালা ও উত্তরীয় দিয়ে বরণ করেন এলাকার মানুষ। সবমিলিয়ে এই দুই শিক্ষকের সাফল্যে গর্বিত জঙ্গল মহলের মানুষও