আপনার যৌনজীবন কি অসুখী, তাহলে অবশ্যই খান এই সবজিগুলি

0
347

খাস খবর ডেস্ক: আমিষ নাকি নিরামিষ? বেশিরভাগ মানুষই নির্দ্বিধায় বেছে নেন প্রথমটিকে। যদিও তাঁদের এটা মেনে নিতেও দ্বিধা নেই যে নিরামিষ খেলে শরীর একাধিক মারণ রোগকে এড়াতে পারে। সতেজ থাকে তো বটেই। তবে সম্প্রতি একটি নয়া তথ্য সামনে আনছেন জনৈকা মহিলা সাংবাদিক। জর্জেট কালি নামক ওই মহিলার দাবী, শরীর সুস্থ থাকাই শুধু নয়। নিয়মিত নিরামিষ ভক্ষণে যৌনজীবনও উপভোগ্য হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন: অবাধ অবৈধ সম্পর্ক, ১৩ বছরে ৮০০ -রও বেশী শিশুর জন্ম দিয়েছেন এই গোয়ালা

- Advertisement -

প্রসঙ্গক্রমে তিনি একটি অভিজ্ঞতা উল্লেখ করেছেন। “একবার আমি মাংস খেয়ে সঙ্গীর সঙ্গে বিছানায় গিয়েছিলাম। কিন্তু তারপর সংগমের আগেই ঘুমিয়ে পড়ি। আর একবার নয়। এমনটা বহুবার হয়েছে আমার সঙ্গে। কিন্তু এখন আমি সম্পূর্ণ নিরামিষাশী। তাই এ ধরণের সমস্যারও সৃষ্টি হয়না।” তিনি আরও জানান, “আমি ছয় মাস ধরে নিরামিষাশী। এতে কোমরের মেদ ঝরে গিয়ে যৌন ইচ্ছা বেড়ে গিয়েছে। এখন আমরা অনেকক্ষণ ধরে সঙ্গমে লিপ্ত থাকতে পারি।”

নাঃ কথার কথা নয়। একাধিক বিশেষজ্ঞেরও দাবী, মাংস, ডিম এবং দুগ্ধজাত খাবারে উচ্চ কোলেস্টেরল আর স্যাচুরেটেড চর্বি থাকে। এগুলি ধমনীতে রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটায়। ফলে শরীরের নীচের অংশে রক্ত চলাচল ধীর হয়ে গিয়ে পুরুষত্বহীনতা দেখা দিতে পারে।

কালি জানাচ্ছেন, তাঁর প্রেমিকও বিষয়টি মাথায় রেখে শাকপাতা ধরেছেন। তিনিও এখন সম্পূর্ণ নিরামিষাশী। পাশাপাশি কালি বলে দিচ্ছেন ঠিক কী ধরণের খাদ্য গ্রহণ করা উচিৎ। তাঁর কথায়, “কুমড়োর বীজ, শাক, ডুমুর, বাদাম, ডার্ক চকোলেট ইত্যাদি ভিটামিন-বি এবং জিঙ্কসমৃদ্ধ। এসব শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়ানোর ফলে যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি পায়।”

আরও পড়ুন: খিচুড়ির গন্ধে হাজির পুলিশ, ধরা পড়ল ক্ষুধার্ত চোর

যোগ করেন, “যদি দ্রুত ফলাফল পেতে হয়, তাহলে ফ্ল্যাভোনয়েড-যুক্ত খাবার খেতে হবে। এজন্য ডায়েটে ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি এবং আপেলের মত ফল থাকা আবশ্যক।” গবেষণাতেও দেখা গিয়েছে, ফ্ল্যাভোনয়েড সমৃদ্ধ খাবার খেলে পুরুষদের ইরেক্টাইল ডিসফাংশনের ঝুঁকি ২০ শতাংশ কমে যায়। পাশাপাশি এটি শরীরের সেরোটোনিন হরমোনেরও বৃদ্ধি ঘটায়। অন্যদিকে অন্য একটি গবেষণা অনুযায়ী, আমিষভোজীদের তুলনায় নিরামিষাশীদের শরীরের গন্ধ ভাল।