‘পুলিশ চুপ থাকলে তৃণমূল নেতাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না’, বাম ছাত্রযুবদের গ্রেফতারির প্রতিবাদে বিস্ফোরক সুজন

0
27

কলকাতা: শুক্রবার বেলা গড়াতেই সল্টলেক সিটি সেন্টারে অবস্থান বিক্ষোভ করে বাম ছাত্র যুবরা। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কর্মসূচী ব্যর্থ করতে তৎপর হয়ে ওঠে। মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় সহ বাম ছাত্র যুবদের অনেককেই আটক করা হয়। এরপরই থানায় পৌঁছান সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ শিক্ষামন্ত্রী এবং তৃণমূল সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, ‘যেভাবে কালকে মহিলাদের উপর আক্রমণ করা হয়েছে তা সীমাহীন অসভ্যতা, বর্বরতা। আজকে মীনাক্ষী সহ সকলকে যেভাবে চ্যাংদোলা করে নিয়ে আসা হয়েছে…’ যোগ করেন, ‘ক্রিমিনালরা পুলিশের সহযোগিতা পাচ্ছে আর যারা মানুষের জন্য কথা বলে তাদের পুলিশ মারধর করছে।’

- Advertisement -

মুখ্যমন্ত্রী সহ রাজ্যের বর্তমান শিক্ষামন্ত্রীকে আক্রমণ করে সুজন চক্রবর্তী দাবি করেন, ‘ব্রাত্য বসু শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ধরা পড়েছে। প্রাইমারি-সেকেন্ডারির চেয়ারম্যান জেলে, এসএসসির চেয়ারম্যান জেলে।’ একইসঙ্গে সিপিএম নেতা তীব্র আক্রমণের সুরে বলেন, ‘অসভ্য, অপদার্থ, ব্রাত্য বসু শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে অযোগ্য। মুখে আলকাতরা মেখে সং সেজে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকুন।’

আরও পড়ুন: ইংরেজদের অত্যাচার থেকে বাঁচতেই বিপ্লবীদের হাত ধরে দশভুজা মহাকালীর আরাধনা

শাসক দলকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, ‘দুষ্কৃতী, লুঠেরা, তোলাবাজরা তৃণমূল দল পরিচালনা করে। পুলিশ যদি সাতদিন চুপ করে থাকে তৃণমূলের নেতাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না। দল উঠে যাবে।’

উল্লেখ্য, এদিন ডিওয়াইএফআই এবং এসএফআই কর্মীরা সল্টলেক সিটি সেন্টার থেকে বিকাশ ভবন পর্যন্ত মিছিলের ডাক দেয়। এই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় সম্পাদক ময়ূখ বিশ্বাস, ডিওয়াইএফআই রাজ্য সম্পাদক মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, এসএফআইয়ের রাজ্য সভাপতি প্রতীক উর রহমান। তবে মাঝপথেই মিছিল আটকে দেয় বিধাননগর পুলিশ। মীনাক্ষী সহ বাম ছাত্রযুবদের জোর করে টেনে হিঁচড়ে-চ্যাংদোলা করে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। এর প্রতিবাদেই থানার ভিতরে ঢুকে আন্দোলন চালায় বিক্ষোভকারীরা। মীনাক্ষীর অভিযোগ, ‘যেখানে বিক্ষোভ করা হয়েছে সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়নি। এরপরও পুলিশ জোর করে আটক করে।’