তিন মাসে কোনও তদন্ত এগোয়নি CBI, দাবি পার্থর আইনজীবীর

0
31
Partha Chatterjee ED charge sheet

কলকাতা: সোমবার ফের পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্তদের আনা হল আদালতে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়-কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় ছাড়াও রয়েছেন এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য, প্রসন্ন রায়, অশোক সাহা, এস পি সিনহা। আলিপুরের বিশেষ CBI আদালতে ফের পার্থর(Partha Chatterjee) জামিনের আর্জি জানালেন তাঁর আইনজীবী। তিন মাস ধরে একই রিপোর্ট জমা দিচ্ছে CBI, এরকমই অভিযোগ তুললেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী।

এদিন আদালতে পার্থর জামিনের জন্য তাঁর আইনজীবী আর্জি জানিয়ে CBI এর বিরুদ্ধে পিটিশন জমা দেন। তাঁর অভিযোগ, তিন মাস ধরে একই রিপোর্ট জমা দিচ্ছে CBI. সেখানে নতুন কোনও কিছুই নেই, একই কথা বলে যাচ্ছে সিবিআই। CBI এর জমা দেওয়া রিপোর্টে বলা হচ্ছে তদন্ত চলছে ঠিকঠাক জায়গায় পৌঁছানোর জন্য। এই মর্মে পার্থর আইনজীবী বলেন, তার মানে CBI এখনও ঠিকঠাক জায়গায় পৌঁছতে পারেনি। শেষ ১৪ দিনেও এই মামলার কোনোরকমের তদন্ত এগোয়নি। এই সমস্ত কথা জানিয়েই জামিনের পিটিশন দায়ের করা হয়েছে পার্থর(Partha Chatterjee) আইনজীবীর পক্ষ থেকে।

- Advertisement -

এই পিটিশনে বলা হয়েছে, CBI একজন অভিযুক্তের মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া ছাড়া কোনোরকম তদন্ত চালাচ্ছে না, সত্যিই যদি কোনও দুর্নীতি হয়ে থাকে সে নিয়ে কোনও তথ্য উদ্ঘাটন করছেনা CBI. পাশাপাশি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের যে রাজনৈতিক শত্রু থাকবে সে কথাও এদিন জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী। তিনি দাবি করেছেন, একজন প্রাক্তন মন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে পুরোপুরি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য। কারণ এই মামলাতে ৭৫ দিন সময় দেওয়ার পরেই এই মামলাতে পার্থর(Partha Chatterjee) বিরুদ্ধে কোনোরকম তথ্য প্রমাণ মেলেনি। এই মর্মে পার্থর জামিনের আর্জি জানানো হয়েছে আদালতে।

তবে CBI এর পক্ষ থেকে সেই একই কথা বলা হচ্ছে। পার্থর জামিন যাতে না হয় সেই মর্মে আদালতে CBIর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি পূর্ব পরিকল্পিত একটি ঘটনা। CBI দাবি করেছে, হেফাজতে চাওয়া হচ্ছে কারণ পুলিশ বা জেলের হেফাজতে থাকাকালীন অভিযুক্ত কোনোভাবেই সহযোগিতা করছে না। এমনকি প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করা হচ্ছে, যদি জামিন পেয়ে যান সেক্ষেত্রেও প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করা হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। আরও জানানো হয়েছে, শেষ ১৪ দিনের সমস্ত নতুন তথ্য কেস ডায়েরিতে রয়েছে। কিভাবে নিয়োগ হয়েছে, কিভাবে টাকা নেওয়া হয়েছে তা তদন্তে উঠে এসেছে। এই মর্মে তাঁর হেফাজতের চেয়েছে CBI।