এখনই প্রকাশ নয় ভুয়ো শিক্ষকদের তালিকা: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

0
28
justice abhijit gangopadhya

কলকাতা: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভুয়ো শিক্ষকদের তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিলেন দুপুরে৷ কিন্তু বিকেল গড়াতেই অন্য একটি মামলার সূত্রে বিচারপতি জানতে পারেন, ভুয়ো নিয়োগের সংখ্যাটা ১৮৩ নয়, তার চেয়ে অনেক বেশি৷ এরপরই নিজের নির্দেশ সংশোধন করে নেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়৷ জানিয়ে দেন, এখনই ওই ১৮৩ জনের নামের তালিকা আদালতে জমা দিতে হবে না স্কুল সার্ভিস কমিশনকে৷

বস্তুত, এদিন নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্কুল সার্ভিস কমিশনকে নবম-দশমে ভুয়ো শিক্ষকদের তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়৷ নাম না করে পরোক্ষে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের ভূমিকারও তীব্র নিন্দা করেন তিনি। বলেন, ‘‘রাজ্যের উচিত ছিল দুর্নীতির বিরুদ্ধে এগিয়ে এসে আদালতকে সাহায্য করা। অথচ আশ্চর্যজনকভাবে দুর্নীতি রোধ করার পরিবর্তে হাই কোর্টের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ চাইতে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে রাজ্য সরকার।’’

- Advertisement -

বস্তুত, ২০১৬ সালে নবম-দশমে নিয়োগের তালিকায় বেনিয়মের নালিশ ওঠে৷ মেধাতালিকায় নীচে থাকা প্রার্থীদের চাকরি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করে মামলা রুজু হয় কলকাতা হাইকোর্টে৷ আদালত সূত্রের খবর, অতীতে এই মামলায় রাজ্য স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে আদালতকে জানানো হয়েছিল যে, ২০১৬ সালে নবম দশমে প্রায় ১৩ হাজার জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়৷ সেখানে বিশেষ সুপারিশের ভিত্তিতে ১৮৩ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছিল, যাদের প্রাপ্ত নম্বর মেধা তালিকার নীচে ছিল৷

এদিন ওই মামলার শুনানিতে বিচারপতি এসএসসির কাছে জানতে চান. ওই ১৮৩ জনের নিয়োগ বাতিলের বিষয়ে কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? নতুন করে আর কোনও অনিয়ম খুঁজে পাওয়া গিয়েছে কি না৷ এসএসসির তরফে আইনজীবী কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি৷ এরপরই চূড়ান্ত সময়সীমা হিসেবে ২৪ ঘণ্টা বেঁধে দেন বিচারপতি৷

পরে অবৈধ নিয়োগ সংক্রান্ত অন্য একটি মামলার শুনানির সময় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই জানায়, সংখ্যাটা আরও বেশি। ভুয়ো সুপারিশ দেওয়া হয়েছে ৯৫২ জনকে। এর পরই নিজের পুরনো নির্দেশ সংশোধন করে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানান, বৃহস্পতিবার মামলাগুলির বিস্তারিত শুনানি হবে, সেই শুনানির পরেই তিনি পরবর্তী নির্দেশ দেবেন। এখনই ওই ১৮৩ জনের নামের তালিকা জমা দিতে হবে না স্কুল সার্ভিস কমিশনকে।

আরও পড়ুন: সায়নীতেই আস্থা রাখলেন নেত্রী, তবু ভেসে আসছে পরিবারতন্ত্রের টিপ্পনি

https://play.google.com/store/apps/details?id=app.aartsspl.khaskhobor