সরকার বনাম কমিশন, চিঠি যুদ্ধ অব্যাহতই

কমিশনের ভূমিকাকে ‘খাটো’ করে দেখার অভিযোগ

0
351

কলকাতা: সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলিতেছে৷ কমিশন বনাম রাজ্য সরকারে চিঠি যুদ্ধ অব্যহত৷ এবার স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কমিশনের ভূমিকাকে ‘খাটো’ করে দেখার অভিযোগ তুললেন স্বয়ং উপ-নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন৷

আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে যাচ্ছেন না মমতা, আস্থা সুব্রত-সুফিয়ানেই

নন্দীগ্রাম মুখ্যমন্ত্রীর ওপর হামলার ঘটনায় রাজ্যের নিরাপত্তা অধিকর্তা বিবেক সহায়কে অপসারণ করেছে নির্বাচন কমিশন৷ সাত দিনের মধ্যে রাজ্যকে তাঁর বিরুদ্ধে ‘চার্জ’ গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন৷ আজ বুধবারই শেষ হচ্ছে সেই মেয়াদ৷ সূত্রের খবর, এবিষয়ে পাল্টা চিঠি দিয়ে বিবেক সহায়ের পাশেই দাঁড়িয়েছে রাজ্য৷ স্বভাবতই ক্ষুব্ধ কমিশনের তরফে এবার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকেই কাঠগোড়ায় তোলা হয়েছে৷

আরও পড়ুন:রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হচ্ছে ডাফ কলেজের ইতিহাস

কমিশন সূত্রের খবর, স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এভাবে কমিশনের ভূমিকাকে খাটো করে দেখার চেষ্টা করা হচ্ছে৷ কমিশনের দাবি, সুনির্দিষ্টভাবে একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কমিশনকে জড়িয়ে যেভাবে কথা বলা হচ্ছে তা ঠিক নয়৷ লিখিতভাবে মুখ্যমন্ত্রীকে উপ-নির্বাচন কমিশনার জানিয়েছেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী ওই ধারণা জিইয়ে রেখে কমিশনকে খাটো করার চেষ্টা করছেন। কেন এমন করছেন তা তিনিই জানেন।”

প্রসঙ্গত, বিবেক সহায়কে মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা অধিকর্তা থেকে সরানোর পরিবর্তে তাঁর পাশেই দাঁড়িয়েছে রাজ্য৷ কমিশনকে লিখিতভাবে মুখ্যমন্ত্রীর তরফে জানানো হয়েছে, নন্দীগ্রামের ঘটনায় বিবেকের কোনও দোষ ছিল না৷ বরং ভোটের মুখে তাঁকে এই পদ থেকে সরিয়ে দিলে নিরাপত্তা সংক্রান্ত একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে৷ একই সঙ্গে কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্টের অভিযোগও লিখিতভাবে জানান মুখ্যমন্ত্রী৷

প্রসঙ্গত, আজ বুধবারই বিবেকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করে কমিশনকে রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা রাজ্যের৷ তারই মাঝে এহেন চিঠি থেকে রাজ্যের মনোভাব স্পষ্ট বলেই মনে করা হচ্ছে৷ স্বভাবতই ক্ষুব্ধ কমিশনের তরফে পাল্টা চিঠি দিয়ে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীকে কাঠগোড়ায় তুলে পাল্টা কড়া বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল৷

প্রসঙ্গত, ভোট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই দফায় দফায় দু’পক্ষর চিঠি যুদ্ধ চলছে৷ কমিশনের বিরুদ্ধে রাজ্য যেমন ‘সমান্তরাল’ প্রশাসন চালানোর অভিযোগ এনেছে তেমনই রাজ্যের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ এনেছে কমিশন৷