Crime: ছাদে টাওয়ার বসিয়ে লাখপতি হতে গিয়ে সর্বশান্ত, গোপন রহস্য ফাঁস করল পুলিশ

0
347

কলকাতা: একদিকে মোবাইল টাওয়ার বসানোর নামে প্রতারণা অন্যদিকে কেওয়াইসি আপডেট করার নাম করে অ্যাপ ইন্সটল করিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা। গ্রেফতার দুই অভিযুক্ত। ধৃতদের শনিবার বিধাননগর আদালতে তোলা হবে। ধৃতদেরকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ Death: ডাম্পারের চাকা কেড়ে নিল স্কুলছাত্রীর প্রাণ, টিউশন পড়ে আর ফেরা হল না বাড়ি

মোবাইল টাওয়ার বসানোর নামে প্রতারণা। ভুয়ো কল সেন্টারের আড়ালে মোবাইল টাওয়ার বসানোর নামে প্রতারণার ব্যবসা চলছিল রমরমিয়েই। ফাঁদে পড়ে লক্ষ লক্ষ টাকা খুইয়েছেন অনেকেই। এবার সেই ভুয়ো কল সেন্টারে হানা দিয়ে তিন জনকে গ্রেফতার করে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ Covid19: করোনা আক্রান্ত দুই শিক্ষক, তার মধ্যেই চলছে পঠন পাঠন, চিন্তায় অভিভাবকরা

জানা গিয়েছে, বেশকিছুদিন ধরেই কেষ্টপুরে প্রফুল্লকাননে একটি বাড়িতে ভুয়ো কল সেন্টার চলছে বলে খবর পৌঁছায় বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশের কাছে। খবর নিয়ে সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ জানতে পারে আদতে ভুয়ো কল সেন্টারের আড়ালে চলছিল এক বড়সড় প্রতারণা চক্র। বিভিন্ন ব্যাক্তিদের ফোন করে জিও সংস্থার টাওয়ার বসানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে লক্ষাধিক টাকা প্রতারণা করত এই ভুয়ো সংস্থা।

এরপরই শুক্রবার রাতে কেষ্টপুরের সেই অফিসে হানা দেয় বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। সেখান থেকে গ্রেফতার করা হয় মোস্তাফিজুর রহমান, সামিনুর শেখ, রুপম দত্ত নামে তিন ব্যক্তিকে। তাদের কাছ থেকে ১৫টি মোবাইল ফোন, ১টি কম্পিউটার হার্ড ডিস্ক, একটি এমপ্লই অ্যাটেনডেন্স রেজিষ্টার, ৬টি ডেবিট কার্ড, ৯টি জিও সংস্থার লোগো দেওয়া ভুয়ো নথি উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার অভিযুক্তদের বিধাননগর মহকুমা আদালতে তোলা হবে। পুলিশ তাদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি, এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা সেই বিষয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

অন্যদিকে, কেওয়াইসি আপডেট করার নাম করে অ্যাপ ইন্সটল করিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে বিহারের গোয়া থেকে একজনকে গ্রেফতার করে লেক টাউন থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, চলতি বছরের অক্টোবর মাসের শেষদিকে লেকটাউনের বাসিন্দা বৃদ্ধা বিনা সরফের কাছে ফোন আসে তাঁর ব্যাংক একাউন্টে কেওয়াইসি আপডেট করা নেই। কেওয়াইসি আপডেট না করলে ব্যাংক একাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হবে।

তারপরে বৃদ্ধাকে দিয়ে একটি অ্যাপ ইন্সটল করিয়ে তাঁর ব্যাংক একাউন্ট থেকে দফায় দফায় ৩ লক্ষ টাকা নিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনার পর বৃদ্ধার ছেলে সৌরভ সরফ অক্টোবর মাসের ২৪ তারিখে লেকটাউন থানায় অভিযোগ দায়ের করে। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে বিহারের গোয়ার টিকারী থানার অন্তর্গত কাঞ্চনপুর থেকে ধর্মেন্দ্র কুমার নামে একজন গ্রেফতার করে।