সপ্তাহান্তে দুর্যোগের ভ্রুকুটি, বৃষ্টিতে ভেস্তে যেতে পারে সমস্ত প্ল্যান

0
41

খাস খবর ডেস্ক: দক্ষিণে বর্ষা প্রবেশ করলেও এখনও সেভাবে ভারী বৃষ্টির দেখা মেলেনি। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি অব্যাহত। যেখানে পাহাড়ে প্রায় প্রতিদিনই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হয়ে চলেছে সেখানে দক্ষিণবঙ্গে নামমাত্র বর্ষা। এর মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গবাসীর জন্য সুখবর শোনাল আবহাওয়া অফিস। তবে, যদি কারও কোথাও ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান থাকে তাহলে বৃষ্টিতে ভেস্তে যেতে পারে সমস্ত কিছু।

আরও পড়ুনঃ Metro Station: এবার কিশোর কুমারের নামে মেট্রো স্টেশন, অপেক্ষা শুধু সবুজ সংকেতের

- Advertisement -

এদিকে শনিবার ভোর থেকেই শহরের আকাশের মুখ ভার। শহরতলির বেশ কিছু অঞ্চলে সকাল থেকেই মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ। কোথাও ভারী বৃষ্টি তো কোথাও মাঝারি বৃষ্টি। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, শনিবার ও রবিবার কলকাতায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। সঙ্গে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। বজ্রপাতের সতর্কতাও জারি করা হয়েছে কোনও কোনও অঞ্চলে। শুক্রবারও বৃষ্টির কারণে জোড়াসাঁকো, আর্মহার্স্ট স্ট্রিট, কলেজ স্ট্রিটের বেশ কিছু অংশ জলমগ্ন হয়ে পড়ে। পাশাপাশি বেহালা, শিলপাড়া, কালিঘাট, সাদার্ন অ্যাভিনিউতেও জল দাঁড়িয়ে যায়।

শনিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে ঘোরাফেরা করবে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। শুক্রবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার সমান। অন্যদিকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ৮৬ শতাংশ। এখনও পর্যন্ত কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছে ০.৪৪ মিলিমিটার।

দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও রয়েছে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। শনিবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়িতে বজ্রবিদ্যুত্‍ সহ মাঝারি থেকে হালকা বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস জারি করেছে মৌসুম ভবন। মালদা এবং দুই দিনাজপুরেও বজ্রবিদ্যুত্‍ সহ হালকা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার বাড়তে পারে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ। সঙ্গে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। অন্যদিকে মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করেছে দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম আরব সাগরে। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যেই কেরলে বর্ষা প্রবেশ করতে পারে।