খুলছে ছোটদের স্কুল, বিধিনিষেধ কি পালন হবে সঠিক নিয়মে, কি বলছে শিক্ষা দফতর

0
138

কলকাতা: করোনা আবহে প্রায় দুবছর বন্ধ ছিল রাজ্যের শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানগুলি। মাঝে কয়েকদিনের জন্য খুললেও ওমিক্রনের দাপটে তা ফের বন্ধ হয়ে যায়। পরে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর জন্য স্কুলের দরজা খুললেও সমস্যা হচ্ছিল ছোটদের স্কুল খোলা নিয়ে। আর তাই, আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে রাজ্য সরকার।

আরও পড়ুন: দেব নন, প্রেমের দিনে রুক্মিণীর ‘ভ্যালেন্টাইন’ অন্য কেউ

- Advertisement -

স্কুল তো খুলছে। তবে বিধিনিষেধ কি পালন করা হবে সঠিক নিয়মে? কি বলছে স্কুল শিক্ষা দফতর? সোমবার নবান্ন থেকে জারি করা হয়েছে একটি নতুন নির্দেশিকা।জানানো হয়েছে, রাজ্যে প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিক শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য স্কুল খোলা হচ্ছে। পাশাপাশি, তাতে বলা হয়েছে, কীভাবে এই কোভিড আবহে স্কুল পরিচালন করতে হবে।

আরও পড়ুন: Valentine’s Day: ভ্যালেন্টাইনস ডে তে চাঁদে জায়গা কিনে স্ত্রীকে উপহার স্বামীর

নির্দেশিকা অনুযায়ী, ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকেই শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং স্কুলের অন্যান্য অশিক্ষক কর্মীরা স্কুলে যেতে পারবেন। পরের দিন অর্থাৎ ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে যেহেতু বাচ্চারা স্কুলে আসবে, তাই এদিন স্যানিটাইজেশন-সহ স্কুল পরিষ্কারের কাজ করা হবে। প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্কুলের পাশাপাশি খুলছে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিও। ১৬ তারিখ থেকেই বাচ্চাদের মিড-ডে মিল দেওয়া হবে।

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মত আপাতত ৫০ শতাংশ পড়ুয়া নিয়ে ক্লাস শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে। ক্লাস শুরুর আধঘণ্টা আগে পৌঁছাতে হবে স্কুলে। তবে, কঠোর বিধিনিষেধ মেনেই স্কুলে প্রবেশের অনুমতি পাবে পড়ুয়ারা।

স্কুল কর্তৃপক্ষ চাইলে যে সমস্ত স্কুলে হোস্টেল রয়েছে, প্রয়োজনের ভিত্তিতে কোভিড প্রোটোকল মেনে সেগুলিও খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, কোভিড প্রোটোকল মেনে যখন পুরোদস্তুর ক্লাস চলছে অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত। তখন প্রশ্ন উঠেছিল ছোটরা আর কতদিন ঘরে থাকবে?এরপরই, ৫০ শতাংশ পড়ুয়া নিয়ে প্রাথমিক স্কুল খোলা যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখার প্রস্তাব দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য চলমান বিধিনিষেধের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামিকাল, অর্থাৎ ১৫ ফেব্রুয়ারি। তার ঠিক পরের দিন অর্থাত্‍ ১৬ ফেব্রুয়ারি বুধবার থেকে প্রাথমিক, উচ্চ-প্রাথমিক ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলি খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।