জলেই গেল চেষ্টা, হল না শেষ রক্ষা, প্রশ্নের মুখে INK

0
50

কলকাতা: ১১টা থেকে ১ টা৷ মল্লিকবাজারের ইনস্টিটিউট অফ নিউরো সায়েন্সের আটতলার জানালা দিয়ে কার্নিসে উঠে পড়া রোগীকে নীচে নামিয়ে আনতে ডাকা হয়েছিল দমকলকে৷ আনা হয় হাইড্রলিক ল্যাডারও। কিন্তু, জলেই গেল চেষ্টা, হল না শেষ রক্ষা৷ সূত্রের খবর, আট তলার কার্নিস থেকে নীচে পড়ে যান ওই ব্যক্তি৷ তবে ল্যাডারের সংস্পর্শ পাইনি৷ ফলে সরাসরি ওপর থেকে নিচে পড়ে গুরুতর জখম হন৷ নিচে পড়ে যাওয়া ওই রোগীর শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক৷

ঘটনার জেরে একাধিক প্রশ্ন সামনে উঠে আসছে৷ কীভাবে জানালা দিয়ে বেরিয়ে রোগী উঠে পড়লেন কার্নিসে? তাহলে কি ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত নজরদারি থাকে না? স্নায়ুর রোগীরা মানসিক দিক থেকে বিধ্বস্ত থাকেন, এটা জানার পরও কেন জানলা খোলা ছিল? উদ্ধারের জন্য প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় পেয়েছিলেন, তা সত্ত্বেও কেন শেষ রক্ষা করা গেল না? যদিও দমকল কর্মীদের দাবি, ‘‘আমরা চেষ্টায় ত্রুটি রাখিনি৷ উনিও বাঁচতে চেয়েছিলেন৷ কিন্তু হাত ফস্কেই ঘটে বিপত্তি!’’ হাসপাতালের তরফে দাবি করা হয়েছে, ওই রোগী প্রথম থেকেই আত্মহত্যার হুমকি দিচ্ছিলেন৷ স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে তাঁর ক্ষেত্রে বাড়তি নজরদারি কেন রাখা হল না?

ঠিক কখন ওই রোগী হাসপাতালের বেড থেকে জানলা দিয়ে কার্নিসে পৌঁছেছেন তা স্পষ্ট নয়৷ তবে এদিন সকালে ওই রোগীকে বেডে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়৷ তখনই হাসপাতাল কর্মীদের নজরে আসে, হাসপাতালের নিচে একটা ভিড় জমে রয়েছে৷ সেটা হাসপাতালের দিকেই আঙুল দেখিয়ে কিছু একটা দেখছে৷ এরপরই কার্নিসে সন্ধান মেলে ওই রোগীর৷ এরপর থেকেই রীতিমতো হুলুস্থুল কাণ্ড বেঁধে যায়৷ নিচে ভিড় জমে যায় পথচলতি মানুষের৷ আনা হয় দমকলের ল্যাডার৷ রোগীকে নামাতে রীতিমতো নাকানিচোবানি খেতে দেখা যায় তাঁদের৷ কিন্তু শেষ রক্ষা না হওয়ায় সামনে উঠে আসছে একাধিক প্রশ্ন৷

আরও পড়ুন: ১৩ বছরের মেয়ের নামেও জব কার্ড, বহিষ্কৃত পঞ্চায়েতের সুপারভাইজার