না খেয়ে ওজন কমাচ্ছেন, সাবধান, হতে পারে বড় বিপদ

0
33

খাস ডেস্ক: মোটা হয়ে যাচ্ছেন, তাই সহজ পদ্ধতিতে প্রথমেই যেটা মাথায় আসে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করতে হবে। ভাত খাওয়াটা একদম বাদের খাতায় ফেলে দিতে হবে। অনেকেই মনে করে থাকেন খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিলেই রোগা হওয়া সম্ভব কিন্তু এই ধারণাতেই জল ঢালছেন বিশেজ্ঞরা। ওজন কমানোর সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি যেটা হয়ে থাকে সেটা হল উপোস করে থাকা। কোন একজন ব্যক্তি সময় মত খেয়ে নেওয়ার পর টানা ১২ থেকে ১৪ ঘন্টা না খেয়ে উপোসে থাকছেন, কিন্তু কেন এই উপোস ? তার কারণ হিসেবে থাকে ওজন কমানোর যুক্তি।

সম্প্রতি এই বিষয় নিয়ে একাধিক গবেষণার রিপোর্ট সামনে এসেছে। সেখানে উল্লেখ রয়েছে এই উপোসে অর্থাৎ না খেয়ে ওজন কমানোর পদ্ধতি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে হরমোনের ওপর। ওবেসিটির ওপর একাধিক পরীক্ষানিরীক্ষা করা হয়েছে শিকাগোর ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ে, আর সেখানের প্রাপ্ত রিপোর্টেই উপোসে মহিলাদের প্রজনন হরমোন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেই জানা যাচ্ছে। শিকাগোর ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এই পরীক্ষায় একটি ‘ Warried Diet’ ও রাখা হয়েছিল। সেখানে বলা হয় প্রতিদিন নিয়ম করে না খেয়ে থাকার কথা অর্থাৎ না খেয়ে ওজন কমানোর এই পদ্ধতি জারি রাখতে বলা হয়েছিল।

- Advertisement -

এখানে বলা হয়েছিল সারাদিনের মধ্যে ৪ ঘন্টা খাওয়া যাবে। সেই সময় যা খুশি যত খুশি খাওয়া যেতে পারে। তারপর ২৪ ঘন্টায় জল ছাড়া কিছু খাওয়া যাবে না। এই পুরো বিষয়টি হয়ে যাওয়ার পর উপোসে থাকা মহিলাদের রক্ত নিয়ে একাধিক পরীক্ষা চালানো হয়। একাধিক হরমোনের কার্যকারিতা নজরে রাখার পর পরীক্ষার রিপোর্টে জানা যায় মহিলাদের Sex Binding Gloubin Hormone একই ছিল তবে ইস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরন মাত্রা একদম কম গেছিল পাঁচ সপ্তাহের পরীক্ষায়। প্রজনন ক্ষমতার পাশাপাশি চামড়ার একাধিক সমস্যা দেখা দেয়। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ওজন কমানোর জন্য উপোসে থাকা হয়েছিল কিন্তু সেই জায়গা থেকে ওজন কমেছে মাত্র ৩ থেকে ৪ শতাংশ। অর্থাৎ না খেয়ে থেকে ওজন কমানোর পদ্ধতি সঠিক নয় বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।