সারাদিনের ক্লান্তি শেষে সন্ধ্যেবেলায় এনার্জি ফেরান ওটস কাটলেট খেয়ে

0
35

খাস ডেস্ক: সুস্থ থাকতে, এনার্জি বাড়াতে ও ওজন কমাতে নিয়মিত ব্রেকফাস্ট করা প্রয়োজন তা সব ডায়েটিশিয়ানরাই বলে থাকেন। কী কী খেতে পারেন ব্রেকফাস্টে? সেখানেও পুষ্টিবিদদের তালিকায় সবচেয়ে প্রথমে আসে ওটমিলের নাম।

যেমন স্বাস্থ্যকর, তেমনই বানানোও সোজা। শুধু দুধ, মধু, কলা বা খেজুর দিয়ে নয়, খেতে পারেন ওটস কুকিজ, ওটস ব্রেড বা ওটসের খিচুড়িও।  এতে আছে প্রচুর পরিমানে ফাইবার। এছাড়াও আছে ভিটামিন বি, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম। ওটস খেলে বেশ অনেকক্ষণ পেট ভর্তি থাকে।

- Advertisement -

রোগা হতে চাইলে ভরসা রাখতে পারেন উঠে। বাড়তি মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। হজমের সমস্যা এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে ওটস। তাই ভরসা রাখতে পারেন ওটস’এ।

এবার ব্রেকফাস্টের পাশাপাশি আপনার সন্ধ্যের টিফিনও একেবারে জমে যাবে। অত্যন্ত সহজ ও চটপট বানানো যেতে পারে এমন সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর খাবারের মধ্যেও রয়েছে ওটসের নাম। ওটস দিয়ে বানানো যায় দুর্দান্ত স্বাদের কাটলেট। আলু ছাড়া যদি কাটলেট বানাতে চান, তাহলে পালং শাক ও কড়াইশুঁটি দিয়ে বানাতে পারেন। তাহলে দেখে নিন এই রেসিপিটি একবার-

উপকরণ- রোস্টেড ওটস, পনির কোরা, গাজর কোরা, সেদ্ধ আলু, আদা বাটা, সাদা তেল, নুন, গরম মশলা, চিলি পাউডার, কাঁচা লঙ্কা বাটা

পদ্ধতি- প্রথমে আলুগুলিকে সেদ্ধ করে নিন। তারপর সেগুলি ভালো করে একটি বড় চামচের চ্যাপ্টা দিক দিয়ে স্ম্যাশড করে নিন। এবার একটি বড় পাত্রের মধ্যে ওটস, স্ম্যাশড করা আলু, আদা বাটা, কাঁচা লঙ্কা বাটা, গাজর কোরা, নুন, গরম মশলা, চিলি পাউডার দিন। এবার সমস্ত উপাদানগুলি একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

এবার পনির কোরা দিয়ে মিশ্রণটি মিশিয়ে নিন। ময়দার ডো-এর মতন করুন পুরো মিশ্রণটি। এবার এই ডো থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে নিয়ে হাতের তালুর মধ্যে রেখে বলের আকার দিন। আপনি চাইলে কাটলেটের মতন চ্যাপ্টা আকারও দিতে পারেন। এরপর একটি সসপ্যানে কম আঁচে তেল দিয়ে গরম করতে দিন।

তেল গরম হলে তাতে কাটলেটগুলি দিন। প্যানের মধ্যে এপিঠ-ওপিঠ করে ভালোভাবে ভেজে নিন। বেশ বাদামি রঙের হয়ে আসলে তুলে ফেলুন। গরম গরম ওটস কাটলেট ধনিয়া চাটনি, টমেটো সসের সঙ্গে পরিবেশন করলে ভাল হয়। এছাড়া যে কোনও মিলের আগে স্টার্টাট হিসেবেও পরিবেশন করতে পারেন।