EMRI-এর পর এখন কেমন আছেন Tarun Majumdar

0
26

বিনোদন ডেস্ক : বর্তমান স্থিতিশীল অবস্থায় বর্ষীয়ান পরিচালক তরুণ মজুমদার (Tarun Majumdar)। আগের চেয়ে এখন অনেকটাই ভাল আছেন তিনি। এমআরআই প্রকাশ্যে এসেছে, রিপোর্টে কোনও রকম অস্বাভাবিকতার দেখা মেলেনি। আপাতত পরিচালককে উডবার্ন ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত নিয়ে আজকে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে মেডিক্যাল বোর্ড।

আরও পড়ুন : TRP-তে রদবদল, একঝটকায় গাঁটছড়া-মিঠাই’কে হারিয়ে দিল এই ধারাবাহিক

গত মঙ্গলবার বিকেলে এমআরআই করা হয় বর্ষীয়ান পরিচালকের। তারপর করা হয় সিটি স্ক্যান। রিপোর্টে খারাপ কিছুর দেখা মেলেনি। কিন্তু এখনও পরিচালকের কিডনির সমস্যা দূর হয়নি। দু-দিন আগেই পরিচালকের রাইস টিউব খুলে দেওয়া হয়েছে, তবে এখনও তরল খাবার খাচ্ছেন। ক্রিয়েটিনিন কিছুটা কমেছে, তন্দ্রা ভাব সেরকম আর নেই। ভালোমতো লিখে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারছেন।

আরও পড়ুন :Shantilal Mukherjee : বড়সড় প্রতারণা, একটা ক্লিকেই লক্ষ টাকা উধাও অভিনেতার

অধুনা বাংলাদেশের বগুড়ায় জন্ম তরুণ বাবুর(Tarun Majumdar)। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করা। কেমিস্ট্রির ছাত্র কিন্তু শুরু থেকেই ফিল্মমেকিং-এর ওপর তীব্র আকর্ষণ ছিল কিংবদন্তীর। ‘যাত্রিক’ নামক একটি দল গঠন করে চলচ্চিত্র পরিচালনার প্রথম কাজ শুরু। সঙ্গী ছিলেন শচীন মুখোপাধ্যায় এবং দিলীপ মুখোপাধ্যায়। এই দলের প্রথম ছবি ‘চাওয়া পাওয়া’। ‘পলাতক’, ‘নিমন্ত্রণ’, ‘সংসার সীমান্তে’ (১৯৭৫), ‘গণদেবতা’,’বালিকা বধূ’ (১৯৬৭), ‘কুহেলী’ (১৯৭১), ‘শ্রীমান পৃথ্বীরাজ’ (১৯৭৩), ‘ফুলেশ্বরী’ (১৯৭৪), ‘দাদার কীর্তি’ (১৯৮০), ‘ভালোবাসা ভালোবাসা’ (১৯৮৫), ‘পরশমণি’ (১৯৮৮) ও ‘আপন আমার আপন’ (১৯৯০)-এর মতো একের পর এক ছবি উপহার দিয়ে গিয়েছেন ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে।