স্বস্তিকার ঠাকুর জামাই দেখে মুগ্ধ স্বয়ং স্বপ্না চক্রবর্তী

0
90

অর্পিতা দাস: সোম চক্রবর্তীর সুরে, হৃতি টিকাদারের গানে এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্ত আবেদনময়ী নাচে ২০২১ এ আবার ‘ঠাকুর জামাই এলো বাড়িতে’। এই গান যেন আবার মিলিয়ে দিল দুই বাংলার মানুষকে, এই গান শুনে এবং দেখে মুগ্ধ হলেন স্রষ্ঠা স্বপ্না চক্রবর্তী নিজেই।

জেএস ইভেন্টস নিয়ে আসছে এক প্রাণবন্ত মিউজিক ভিডিও – ‘ঠাকুর জামাই’, জেএসই মিউসিকের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে, ১৯ অক্টোবর। তবে এই গানের টিজার ইতিমধ্যেই দেখে ফেলেছেন দর্শকেরা। “কি বলবো তোমায়” এর প্রিয় ‘রাধিকা’ অর্থাৎ অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্ত এই গানের মাধ্যমেই প্রথমবার কাজ করলেন মিউজিক ভিডিওতে। কোরিওগ্রাফার, অভিনেত্রী জিনা মদিনা এবং ওয়ার্ল্ড সালসা চ্যাম্পিয়ন, কলম্বিয়া থেকে আন্দ্রেস লেইটনের এক সূত্রে বাধা পড়েছেন এই গানে।

স্বস্তিকার কথায়, “ঠাকুর জামাইয়ের অংশ হতে পেরে আমি খুবই উচ্ছ্বসিত। এই প্রথম আমি একটি আন্তর্জাতিক মিউজিক ভিডিওতে অংশ নিলাম।” স্বস্তিকা কৃতজ্ঞতা জানালেন বিশিষ্ট কোরিওগ্রাফার সুদর্শন চক্রবর্তীকে তাঁর অসাধারণ কোরিওগ্রাফির জন্য। সুদর্শন চক্রবর্তী যিনি কলকাতার একজন খ্যাতিমান কোরিওগ্রাফার, তিনি দীর্ঘ বিরতির পর একটা মিউজিক ভিডিওয় কাজ করলেন। “ঠাকুর জামাই” এর কোরিওগ্রাফি করার অভিজ্ঞতা, তার নিজের কথায়, “প্রাণবন্ত, মজাদার এবং ছন্দময়” ছিল। গানটি, তিনটি ভাষায় গাওয়া হয়েছে। সুরকার সোম চক্রবর্তী জানিয়েছেন, ” অনেকের মতোই আমিও এই সুপার হিট গানটা শুনে বড় হয়েছি। যখন জোনাইদি আমাকে এই গানটা রিক্রিয়েট করতে বলেছিলেন, তখন এটি ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং একটা কাজ! আমি এমন একজন কণ্ঠশিল্পীকে খুঁজছিলাম যার কণ্ঠে একটু পাশ্চাত্যের ছোঁওয়া আছে।”

সঙ্গীতে অসামান্য অবদানের জন্য স্বপ্না চক্রবর্তীকে সংবর্ধনা দিতে জেএসই টিম বীরভূমে পৌঁছে যায়। কিংবদন্তি শিল্পী স্বপ্না চক্রবর্তী বলেছেন “আমি আমার জীবনে অনেক সম্মান পেয়েছি কিন্তু আমার জীবনের শেষের দিকে এই সম্মান পাওয়াটা অপ্রতিরোধ্য। আমি জোনাই এবং জেএস ইভেন্টের জন্য শুভ কামনা জানাই।” জোনাই সিং জানালেন, “যখন আমরা একত্রিত হই এবং কোলাবোরেট করি, তখন অনেক পার্থক্য মুছে যায়। সমস্ত বিষয় হল শৈল্পিক অভিব্যক্তি, যা তাদের একত্রিত করে এবং মানুষের কাছে আবেদন করে। “ঠাকুর জামাই”এই দৃষ্টিকে মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে স্বপ্নাদিকে ব্যক্তিগত ভাবে সম্মান জানাতে পেরে এবং তাঁর আশীর্বাদ পেয়ে আমরা খুশি।”