27 C
Kolkata
Thursday, June 17, 2021
Home খাস বিনোদন "আমার আব্বা কোথায়?" শেখ হাসিনার এই কথা আমার পরম প্রাপ্তি: আরিফিন শুভ

“আমার আব্বা কোথায়?” শেখ হাসিনার এই কথা আমার পরম প্রাপ্তি: আরিফিন শুভ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্ম শতবর্ষে ভারত এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ প্রযোজনায় তৈরি হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর জীবনী নির্ভর ছবি ‘বঙ্গবন্ধু’। পরিচালনায় শ্যাম বেনেগাল। বঙ্গবন্ধুর ভূমিকায় অভিনয় করছেন আরিফিন শুভ। এছাড়া ছবির সংগীত পরিচালনা করছেন শান্তনু মৈত্র।

- Advertisement -

বঙ্গবন্ধুর নাম ভূমিকায় অভিনয় করা আরিফিন শুভ সুদূর বাংলাদেশ থেকে টেলিফোনে আড্ডা জমালেন খাস খবরের প্রতিনিধি পূর্বাশা দাসের সঙ্গে।

প্রশ্ন: শ্যাম বেনেগালের ছবিতে বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমানের নাম ভূমিকায় অভিনয় করাটা কি তোমার কাছে স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো?

- Advertisement -

আরিফিন শুভ: একদমই নয়। আমি যদি বলি স্বপ্ন সত্যি হয়েছে তাহলে সেটা মিথ্যে বলা হবে। মানুষ আসলে স্বপ্ন দেখে তার সাময়িক বা সার্বিক অবস্থা থেকে। আমি স্বপ্নেও কোনোদিন ভাবি নি বা কোনদিন স্বপ্নেও দেখিনি যে আমি কোনও একদিন বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করব। অথবা শ্যাম বেনেগালের সান্নিধ্যে আসতে পারবো। এটা স্বপ্নের থেকেও আমার বেশি কাল্পনিক মনে হয়। এটা ব্যাখ্যা করার মতো কোনও ভাষা আমার নেই।

প্রশ্ন: যখন প্রথম শুনলে যে তোমাকে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে ভাবা হচ্ছে তখন কী মনে হয়েছিল? কিভাবে নিজেকে তৈরী করেছ?

আরিফিন শুভ: এই চরিত্রে অভিনয় করার আগে পাঁচবার আমার অডিশন হয়। দুবার ভারতে, তিনবার বাংলাদেশে। প্রথম অডিশন ভারতে, কলকাতার মাটিতে। ২০১৯ সালের শুরুর দিকে বা তারও একটু আগের কথা। তখন শ্যাম বেনেগাল স্যার এসেছিলেন লোকেশন রেকি করতে। সেখান থেকে আমার অডিশনের শুরু এবং প্রত্যেকবারই ওই একই ধাঁচের অডিশন হত। আমি নীরবে যেতাম এবং নীরবে চলে আসতাম। কারো সাথে কথা হত না। তুমি শুধু একটা জিনিস ভাবো যে, একটা মানুষ একটাই কাজের জন্য পাঁচবার অডিশন দিচ্ছে। আমার আদৌ কোনও সম্ভাবনা আছে না নেই কিছুই জানতে পারতাম না। আমার তখন অবস্থা অনেকটা ডাঙ্গায় তোলা কই মাছের মতো হয়েছিল। আমি নিজেও বুঝতে পারতাম না আমার কী করা উচিৎ। খুশি হব না দুঃখ পাব! এরকমভাবে পরপর পাঁচবার অডিশন দেওয়ার পর ২০১৯ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে আমি জানতে পারি যে আমি বঙ্গবন্ধুর চরিত্র অভিনয় করতে চলেছি। সর্বোপরি একজন বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে, একজন মানুষ হিসেবে, একজন অভিনেতা হিসেবে এটা শোনার পর আমি যেন পাথর হয়ে গিয়েছিলাম। কোনও অনুভূতি প্রকাশের অবস্থায় ছিলাম না।

- Advertisement -

প্রশ্ন: শ্যাম বেনেগালের সাথে কাজের অভিজ্ঞতা কেমন?

আরিফিন শুভ: বাংলাদেশের বাইরে গিয়ে এর আগেও আমি কাজ করেছি। অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে ওখানকার পুরো টিমের সঙ্গে কাজ করেছি। কলকাতায় কাজ করেছি। এছাড়াও বিভিন্ন দেশে আমি পারফর্ম করতে গিয়েছি। তাই দেশের বাইরে কাজ করাটা আমার কাছে নতুন নয়। কিন্তু বেনেগাল স্যরের সঙ্গে কাজ করে মনে হল আমার যেন অভিনেতা হিসেবে নতুন করে জন্ম হল। শিল্পী হিসেবেও আমার অনেক টেকনিক্যাল বিষয়, দৃষ্টিভঙ্গি এগুলোর অনেক পরিবর্তন হয়েছে। এত বড় মাপের, এত অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন মানুষকে তিনটে মাস খুব কাছ থেকে পেয়েছি আমি। কোভিডের কারণে আমরা কোথাও যেতে পারিনি। হোটেল থেকে সেট, সেট থেকে হোটেল। আর এই পুরো সময়টাতেই বেনেগাল স্যর আমাদের সঙ্গে হোটেলেই থাকতেন। এইরকম একটা মানুষের সান্নিধ্যে তিনটে মাস কাটানো আমার জীবনের সবথেকে বড় সম্পদ।

প্রশ্ন: শ্যাম বেনেগালের থেকে কী কিছু স্পেশাল টিপস পেয়েছো?

আরিফিন শুভ: অসংখ্য টিপস পেয়েছি। একটা গল্প শেয়ার করি তাহলে। তাহলে তুমি কিছুটা আন্দাজ করতে পারবে। ‘ঢাকা অ্যাটাক্’ নামে আমি একটি কাজ করেছি। তার সিক্যুয়েল ‘মিশন এক্সট্রিম’। এই ‘মিশন এক্সট্রিম’ এর টিমে কলকাতার প্রচুর মানুষ ছিলেন। ডি.ও.পি থেকে টেকনিক্যাল টিমের একটা বিরাট বড় অংশ ভারত থেকে এসেছিল। ওখানে আমার চরিত্রটা ছিল একজন প্যারা কমান্ডোর। একটা স্পেশাল টাস্কফোর্সের এইচ. আর. টি। আমি সেই টিমটাকে লিড করছি। এরকম একটা চরিত্রে অভিনয় করার জন্য আমার চেহারায় প্রচুর পরিবর্তন করতে হয়েছিল। যেরকম ভাবে সবাই আরিফিন শুভকে দেখে অভ্যস্ত সেখান থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে আসতে হয়েছিল। তার জন্য আমাকে নয় মাস কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছিল। ‘মিশন এক্সট্রিম’ শুটের ঠিক পরপরই আমি কলকাতায় একটি বাংলা ছবি করেছিলাম, রঞ্জন ঘোষের ‘আহা রে…’। এই ছবির জন্যও আমাকে ওজন বাড়াতে হয়েছিল। আর ‘মিশন এক্সট্রিম’ এর জন্য সিক্স প্যাক অ্যাবস্ এর দরকার ছিল। সবকিছু মিলিয়ে আমার দৈহিক গড়ন একদম অন্যরকম ছিল। আমি একটা রোবটের মতো দেখতে ছিলাম। তখন কাজ করার সময় আমার পায়ে চোট লাগে। তাই সেই সময় আমি খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছিলাম। এই অবস্থাতেই প্রথমবার আমাকে অডিশনে ডাকা হয়েছিল। অডিশনে আলাপ পর্ব সারার পর বেনেগাল স্যর আমাকে দেখে প্রথম শব্দ বলেছিলেন ‘our limping Mujib’। তারপর অডিশন দেওয়া হলো অডিশনের পর একমাত্র বেনেগাল স্যর ছাড়া টিমের সবার একটাই বক্তব্য ছিল ‘হাউ ইজ ইট্ পসিবল্?’ বঙ্গবন্ধু সিক্স প্যাক অ্যাবস্ এবং এমন জায়গান্টিক শরীরের অধিকারী ছিলেন না। সবাই আমার লুকস্, দৈহিক গড়ন এগুলো নিয়ে কথা বলছিল কিন্তু বেনেগাল স্যর আমাকে বলেছিলেন “don’t worry about all these, just believe in the character, just be the chsracter. Don’t worry about anything else.” উনি আমাকে শুধু এইটুকুই বলেছিলেন। কিন্তু আমি এই কাজে আছি না নেই সেটা কিছু বলেননি। আমারও বিশ্বাস হচ্ছিল না; কেন আমাকে মুজিবের চরিত্রে ভাবা হচ্ছে! আমি নিজেও নিজেকে সেই সময় মুজিবের চরিত্রে কল্পনা করতে পারতাম না। প্রথম দিন শুটের শেষে উনি আমাকে একটা কথা বলেছিলেন, “either the spirit has come to you or you have gone to the spirit. Arifin stay there.”

প্রশ্ন: তুমি ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের জাতীয় পুরস্কার পেয়েছো। বঙ্গবন্ধুর নাম ভূমিকায় অভিনয় করাটা তো নিঃসন্দেহে তোমার ক্যারিয়ারের একটা মাইলস্টোন। এই ছবি নিয়ে তোমার প্রত্যাশা কতটা?

আরিফিন শুভ: কী বলবো আমি সত্যিই জানি না। তবে দ্যাখো মানুষের জীবনে কিছু জিনিস হয় যখন মানুষ সেই কাজের প্রাপ্তির থেকেও সেই কাজট করার সুযোগ পাওয়াটাকেই বড় প্রাপ্তি মনে করে। আমার কাছেও তাই এই কাজের সুযোগ পাওয়াটাই সব থেকে বড় প্রাপ্তি। বঙ্গবন্ধুর নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছি, শ্যাম বেনেগালের সঙ্গে কাজ করেছি, সর্বোপরি ভারত-বাংলাদেশ দুই দেশের যৌথ প্রযোজনায় এরকম একটা কাজ করতে পেরেছি সেটাই আমার কাছে আচিভমেন্ট। এই ছবিতে কাজ করতে পেরেই আমার প্রত্যাশা পূরণ হয়ে গেছে। কারণ বঙ্গবন্ধুর চরিত্রেও আমিই অভিনয় করেছি, শ্যাম বেনেগালের সাথেও আমিই কাজ করেছি। এটাই আমার বড় পাওনা। ছবি দেখার পর দর্শকরা কী বলবেন সেটা আর আমার ভাবনাতেও নেই।

প্রশ্ন: আজ তুমি তোমার সোশ্যাল হ্যান্ডেলে একটা ছবি শেয়ার করেছ। সেখানে দেখা যাচ্ছে তুমি এই ‘বঙ্গবন্ধু’ ছবিতে কাজ করার জন্য মাত্র ১ টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছো। এটা কী বঙ্গবন্ধুর প্রতি তোমার বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য?

আরিফিন শুভ: শ্রদ্ধা তো বটেই। আমি যদি মেথড্ অফ অ্যাক্টিং জায়গা থেকে চরিত্রটা দেখি তাহলে প্রথমেই বলতে হয় যে অভিনয় করার জন্য আমাকে চরিত্রটা ফিল করতে হয়েছে। আমি চরিত্রটা ফিল করে বুঝেছি যে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রটাই আসলে স্যাক্রিফাইস। একটা মানুষ ৫৫ বছরের জীবনে ১১ বছর ৪ মাস ২২ দিন জেলে কাটিয়েছেন। উনার জীবনের ত্যাগ আমাকে খুব নাড়া দিয়েছিল। উনার মত একজন সৎ, সাহসী মানুষ যাকে নিঃসন্দেহে ত্যাগের প্রতিরূপ বলা যায়। এই বৈশিষ্ট্যগুলোকে ফিল করার জন্যই আমার এই এক টাকা পারিশ্রমিক নেওয়া। আমার জীবনে সত্যিই উনার মতো স্যাক্রিফাইস নেই। দুই দেশের যৌথ প্রযোজনায় তৈরি এই ছবির বাজেট বিশাল। এটা বাংলাদেশের ইতিহাসে সবথেকে বড় বাজেটের ছবি। অনেকেরই হয়তো ধারণা নেই দু’দেশের যৌথ প্রযোজনায় কত বড় পরিসরে, কত বিশাল ব্যাপ্তিতে এই ছবিটা বানানো হচ্ছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে এই ছবিতে মূল চরিত্রে অভিনয় করে আমার বিশাল বড় আর্থিক লাভ হওয়ার কথা। কিন্তু আমার মনে হয়েছে আমি যদি এই জায়গাটা স্যাক্রিফাইস করি তাহলে আমার ভেতরে ত্যাগের ফিল আসবে। বঙ্গবন্ধুর জীবনের যে ত্যাগ, যে ব্যথা সেটা হয়তো কিছুটা হলেও আমি ফিল করতে পারব। আমি আরও একটা কথা বলব, আমি বাবার চরিত্রে অভিনয় করছি। শেখ মুজিবর রহমানকে ‘জাতির পিতা’, শ্রেষ্ঠ বাঙালি বলা হয়। কিভাবে আর কত পয়সা দিয়ে আমি সেটাকে মাপবো! কত পয়সাই বা নেব আমি। এখানে প্রশ্ন উঠতে পারে তাহলে আমি এক টাকা কেন নিলাম? সেই প্রসঙ্গে বলি যেহেতু আমি আমার শ্রম, আমার অসম্ভব লেভেলের ডেডিকেশন, সময় ব্যয় করেছি এই ছবির পেছনে তাই তার একটা মূল্য আছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়েই আমার এই এক টাকা নেওয়ার সিদ্ধান্ত। আমি ফ্রী’তে কাজ করি না।

প্রশ্ন: তুমি শেখ হাসিনার বাবার ভূমিকায় অভিনয় করছো। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার থেকে কিছু বিশেষ বার্তা পেয়েছো?

আরিফিন শুভ: হ্যাঁ। শেখ হাসিনার সঙ্গে আমার সাক্ষাত হয়েছে। তিন চার ঘন্টা সাক্ষাতের সময়ের একটা জিনিস আমার মনে আছে। উনি দেখা করে যখন বেরিয়ে যাচ্ছিলেন তখন সব শিল্পীরা সি-অফ্ করতে যাচ্ছিলেন। সেই জায়গায় খুব ভিড় হয়ে গিয়েছিল। সেই ভিড়ের মধ্যে আমি কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এটা আমার নেচার বলতে পারো। আসলে দূরে দাঁড়িয়ে আমি পুরো ব্যাপারটা আমার মনের মেমোরিতে রেকর্ড করছিলাম। আমি অনেকটা দূরে থাকায় আমাকে দেখতে পাননি। দূর থেকেই লক্ষ্য করলাম উনি কাউকে খুঁজছেন এবং হঠাৎ করেই উনি বলে উঠেন, “আচ্ছা আমার আব্বা কোথায়?” আমি হাসিমুখে উনার দিকে এগিয়ে গিয়ে বলেছিলাম, দোয়া করবেন যাতে ভাল করে কাজটা করতে পারি। তখন উনি বলেছিলেন, “খুব ভালো কাজ করো, মনোযোগ দিয়ে কাজ করো।” উনার দুটো কথা, “ভালো করে কাজ করো, মনোযোগ দিয়ে কাজ করো” এবং “আমার আব্বা কোথায়?” আমার কাছে খুব স্পেশাল।

প্রশ্ন: কোলকাতার দর্শকরা মূলত তোমায় চিনেছিল রঞ্জন ঘোষের ছবি ‘আহা রে…’র মাধ্যমে। সেই ছবির রাজা চৌধুরীকে সবাই আপন করে নিয়েছিল। আরিফিন শুভকে কলকাতার ছবিতে আবার কবে দেখা যাবে?

আরিফিন শুভ: আমি শুধু এটুকু বলতে পারি যদি এই কোভিড পরিস্থিতি না হত তাহলে বাংলার জনপ্রিয় দুজন পরিচালকের অন্তত দুটো কাজে আমাকে কলকাতার দর্শকরা দেখতে পেতেন। আশা করছি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই কাজ শুরু হবে।

- Advertisement -

সপ্তাহের সবচেয়ে জনপ্রিয় সংবাদ

কলকাতা থেকে দফতর সরাচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, আশঙ্কায় বহু কর্মী

খাস খবর ডেস্ক: কেন্দ্রের অধীনে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার সদর দফতর কলকাতা থেকে সরিয়ে ফেলা হতে পারে অন্য রাজ্যে। যার জেরে কর্মহীন হয়ে পড়তে পারেন...

লাইভে এসে ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন অভিনেতা

অর্পিতা দাস: লাইভে এসে গাইলেন কবীর সুমনের 'হাল ছেড়ো না বন্ধু'। কিন্তু নিজে এই গান গাইলেও জীবনের প্রতি হাল ছেড়ে ১০টা ঘুমের ওষুধ খেয়ে...

শুভেন্দুর ‘কারসাজি’তে মাথা নোয়াতে বাধ্য হলেন মুকুল

সুমন বটব্যাল, কলকাতা: জল্পনা চলছিল বেশ কিছুদিন ধরেই৷ অবশেষে সেই জল্পনার অবসানও হতে চলেছে৷ সবকিছু ঠিক থাকলে জুম্মাবারের বিকেলে বিজেপি ছেড়ে পুরনো ঘরে ফিরতে...

বাস তো নয় যেন হাতি পুষছি, সরকারি সাহায্যের দাবি স্কুল বাস মালিকদের

রায়গঞ্জ: প্রায় দেড় বছর ধরে বন্ধ রয়েছে স্কুল৷ তখন থেকেই গ্যারেজ বন্দী স্কুল বাসগুলিও৷ দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে থেকে নষ্ট হয়ে গিয়েছে বাসের...

খবর এই মুহূর্তে

সামরিক বাহিনীর তাণ্ডবে মায়ানমারে পুড়ল গ্রাম, মৃত্যু দুই বৃদ্ধের

খাসখবর ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত মায়ানমার। সামরিক বাহিনীর তাণ্ডবে পুড়ল গোটা গ্রাম। এই ঘটনার জেরে মৃত্যু হয়েছে দুজন বৃদ্ধের। গোটা ঘটনায় দেশের সামরিক বাহিনীকে দোষারোপ...

ইউরো কাপ ২০২০: সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে টপ -১৬ এ ইতালি

খাস খবর ডেস্ক: ইউরোপীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২০ (ইউরো কাপ) -তে ইতালি তাদের দুর্দান্ত ফর্ম অব্যাহত রেখেছে। সুইজারল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শেষ ১৬ তে জায়গা...

বন্ধ রেশন, অনাহারে অসুস্থ উত্তরপ্রদেশের বহু শিশু

খাস খবর ডেস্ক: করোনা মোকাবিলায় জারি হয়েছে লকডাউন। এই অবস্থায় প্রবল প্রতিকূলতার মুখোমুখি সাধারণ মানুষ। সুরাহা দিতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে...

তিনজন চিনা মহাকাশচারী পাড়ি দিলেন স্বপ্নের অভিযানে, থাকবেন ৯০দিন

খাসখবর ডেস্ক: মহাকাশে পাড়ি দিচ্ছেন চিনের তিন ব্যক্তি। প্রথম দুইবার মানুষ শূন্য রকেট পাঠালেও এইবারে মানুষসহ মহাকাশে অভিযান চালিয়েছে চিন। বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন চিনের...