33 C
Kolkata
Monday, June 21, 2021
Home খাস বিনোদন বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের স্মৃতিচারণায় তাঁর ছবির অভিনেত্রীরা

বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের স্মৃতিচারণায় তাঁর ছবির অভিনেত্রীরা

পূর্বাশা দাস: বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের ছবিতে কাজ করেছেন মমতা শঙ্কর, ইন্দ্রানী হালদার, জয়া শীল ঘোষ, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, সুদীপ্তা চক্রবর্তী, শ্রীলেখা মিত্র। পরিচালকের মৃত্যুতে তাঁরা সকলেই শোকস্তব্ধ। স্মৃতির সরণি বেয়ে তাঁরা ফিরে দেখলেন সেই দিনগুলো। তাঁদের স্মৃতিচারণার সাক্ষী রইলেন খাস খবরের প্রতিনিধি পূর্বাশা দাস।

- Advertisement -

মমতা শঙ্কর
বহু পুরনো কথা মনে পড়ছে আমার। বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের প্রথম ফিচার ফিল্মে আমি ছিলাম। ছবির নাম ‘দূরত্ব’। তারপর ‘গৃহযুদ্ধ’ তেও আমি বুদ্ধদেবদা’র সাথে কাজ করেছি। পরপর দুটো ছবিতে আমি উনার সঙ্গে কাজ করেছি। ফলে আমার সাথে একটা পারিবারিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। উনার চলে যাওয়া আমার কাছে এতটাই দুঃখের, আমার এতটাই খারাপ লাগছে যে আমি এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না। আমি ভাবতেই পারছিনা বুদ্ধদেব দা নেই। কেউ চলে গেলে আমি ঠিক করে কথা বলতে পারি না। আমার কথা আটকে যায়। এখনও আমার গলা ধরে আসছে। লাস্ট দুটো বছরে আমার মা সহ অনেক মানুষকে হারিয়েছি। শুধু মনে হচ্ছে চারদিকটা যেন ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। উনি যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন। আমি উনার পরিবারের সকলকে আমার গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

- Advertisement -

ইন্দ্রাণী হালদার
আমার জীবনে উনার অবদান অনস্বীকার্য। আমার বাণিজ্যিক ছবি ছাড়াও অন্য ধারার ছবিতে কাজ করা কিন্তু উনার জন্যই। উনার হাত ধরেই আমার অন্য ধারার ছবিতে আসা। আমি যখন উনার ছবি ‘চরাচর’এ কাজ করছিলাম, সেই সময় বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসব থেকে আমরা ডাক পাই। আমার মনে আছে বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবের ম্যাগাজিনের কভার পিকচারে আমার ছবি ছিল। আমার সঙ্গে রাজিত কাপুর, সাধু মেহেরের ছবিও ছিল। এটা নিঃসন্দেহে আমার কাছে একটা বিরাট বড় পাওনা ছিল। চরাচরের পরে আমি ‘লাল দরজা’ ছবিতেও উনার সঙ্গে কাজ করেছি। বুদ্ধাদেব দাশগুপ্ত পরিচালিত একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের হিন্দি ছবিতেও আমি কাজ করেছি, যেটা ফেস্টিভ্যাল দেখানো হয়েছিল। উনার মৃত্যু সংবাদ আমার কাছে খুব শকিং। আমি উনার আত্মার চিরশান্তি কামনা করছি।

ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত মানেই আন্তর্জাতিক মান। আন্তর্জাতিক পুরস্কার। ভারতীয় সিনেমাকে বিশ্ব সিনেমার মানচিত্রে পৌঁছে দিয়েছিলেন তিনি। সর্বোপরি বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত মানে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পাওয়া। আমি যখন খুব ছোট ছিলাম তখন আমার কাকু আমাকে ‘গৃহযুদ্ধ’ দেখিয়েছিলেন। আমি তখন এতটাই ছোট ছিলাম যে এই ছবির মূল্য বুঝতে পারিনি। কিন্তু এই ছবির মাধ্যমেই ভালো সিনেমার সঙ্গে আমার পরিচিতিটা হয়েছিল। পরবর্তীকালে যখন আমি ছবির মূল্যায়ন করতে শিখেছি তখন বুঝেছিলাম যে কিভাবে ছবির চরিত্রদের এক্সপ্লোর করতে হয়। কত বড় পরিসরে অভিনয় হতে পারে! মমতা শংকর, অঞ্জন দত্ত, গৌতম ঘোষকে দেখে অবাক হয়েছিলাম।

আমার কেরিয়ারের একদম আর্লি ইনিশিয়াল স্টেজে বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের তরফ থেকে আমি যখন ‘মন্দ মেয়ের উপাখ্যান’ ছবিতে অভিনয়ের অফার পাই। তখন ছবিতে আমার চরিত্রটা আমার বোধগম্য হয়নি। কিন্তু উনি আমার ওপর আস্থা রেখেছিলেন। উনি বলেছিলেন আমি করতে পারব। সত্যিই আমার তখন নিজের উপর আস্থা ছিল না। ওরকম একটা বলিষ্ঠ চরিত্র যিনি একাধারে একজন যৌনকর্মী, একজন মা, সেই চরিত্র করার মতো বয়স বা বুদ্ধি কোনটাই তখন আমার ছিল না। কিন্তু উনি আমাকে দিয়ে কাজটা ঠিক করিয়ে নিয়েছিলেন। অনেক বকাবকিও করেছিলেন। উনি করিয়ে নিয়েছিলেন বলেই হয়তো আমি কাজটা করে উঠতে পেরেছিলাম। উনি যেন আমাকে আগুনের মধ্যে দিয়ে, কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গড়ে নিয়েছিলেন। আমার মনে আছে খুব ভোরবেলা শুটিং হত। উনি যদি ওই ম্যাজিক লাইটটা না পেতেন তাহলে শুটিং ক্যানসেল করে দিতেন। তখন আমরা হতাশ হয়ে যেতাম। কিন্তু তারপর যখন তার এন্ড রেজাল্টটা পেতাম সেটা যে কত বড় পাওয়া তা বলে বোঝানো সম্ভব না। সে বছরই যখন ‘মন্দ মেয়ের উপাখ্যান’ জাতীয় পুরস্কার পায় সেটা আমার কাছে একটা বিরাট বড় প্রাপ্তি।

- Advertisement -

বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত সম্পর্কে বলার জন্য আমি খুবই ক্ষুদ্র। এটুকুই বলব উনি আমাদের জন্য যা কাজ রেখে গেছেন, যা শিখিয়ে গেছেন, যা দিয়ে গেছেন সেটা একটা টেক্সট বুকের মত। যেগুলো আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের কাছেও একটা বড় সম্পদ। এছাড়াও তাঁর পরবর্তী ছবি ‘উত্তরা’তেও উনি আমাকে কাজ করার কথা বলেছিলেন। আমার বাবাকে উনি চিঠি লিখেছিলেন। চিঠিতে তিনি ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন যাতে আমি উত্তরা ছবিতে কাজ করি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেই সময় অন্য কাজের চাপের জন্য আমি কাজটা করে উঠতে পারিনি। যেটা আমার কাছে সারাজীবনের একটা বিরাট বড় আক্ষেপ।

উত্তরাতে কাজ না করার জন্য আমার বাবাও আমার ওপর অসন্তুষ্ট ছিলেন। ব্যক্তিগতভাবে তাঁর ‘চরাচর’, ‘গৃহযুদ্ধ’ ‘বাঘ বাহাদুর’, ‘তাহাদের কথা’ আমার ভীষণ পছন্দের। উনি বহুবিধ গুণের অধিকারী ছিলেন। উনি একাধারে কবি, পরিচালক, সমালোচক।একজন মননশীল মানুষ ছিলেন। পরবর্তীকালে উনি আমার কিছু কাজ দেখে ভীষণ অ্যাপ্রিশিয়েট করেছিলেন। উনি আমাকে পুরো নাম ধরে ডাকতেন। ঋতুপর্ণা বলতেন। উনার মেয়ের সঙ্গে আমি একই স্কুলে পড়তাম। তাই উনার স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে আজকে এগুলো ভীষণভাবে মনে পড়ছে।

সুদীপ্তা চক্রবর্তী
বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের প্রয়াণ অপূরণীয় ক্ষতি। শুধুমাত্র বাংলা সিনেমার নয়, বিশ্ব সিনেমার একটা বিশাল বড় ক্ষতি। উনার দুটো ছবিতে আমি কাজ করেছি। যদিও সেটা বেশ কিছুদিন আগে। তাঁর পরিচালিত শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘উড়োজাহাজ’এ অভিনয় করার জন্য আমার সাথে যোগাযোগ করা হয়েছিল। সম্ভবত সময়টা ছিল ২০১৭-২০১৮। কিন্তু সেই সময়টা আমি আমার অন্য কাজের কমিটমেন্টের জন্য সময় বের করতে পারিনি। আমি উনার যে দুটো ছবিতে কাজ করেছি তারমধ্যে একটি ‘মন্দ মেয়ের উপাখ্যান’ এবং অপরটি ‘কালপুরুষ’। সেটা প্রায় ২০০১ সালে শুট করা। আজ থেকে কুড়ি বছর আগে। এরপর কাজ করি ‘কালপুরুষ’ ছবিতে। ২০০৩-২০০৪ সালে কালপুরুষে কাজ করি। যা ২০০৮ এ মুক্তি পায়।

যারা বুদ্ধবাবুর ছবিতে কাজ করেননি তাদেরকে বুদ্ধবাবুর কাজ সম্পর্কে বোঝানো খুব কঠিন। আজকে যারা কাজ করছেন তারা বুঝতেও পারবেন না বুদ্ধবাবুর ওয়ে অফ্ ওয়ার্কিং। একটা গোটা ইউনিট দেড় মাস ধরে আউটডোরে বসে আছে। কিন্তু কেউ জানেনা কখন কার শট্ আছে। উনি সকালে উঠেই আকাশ দেখতেন। আকাশ দেখে উনি ঠিক করতেন এই আকাশে উনি আজকে কোন শটটা নেবেন। যেহেতু তিনি একজন কবি ছিলেন তাই তাঁর সিনেমার মধ্যেও তিনি কবিতা ফুটিয়ে তুলতেন। বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের ছবিতে একটা জিনিস ভীষণভাবে লক্ষ্য করা যায়। সেটা হল আকাশের প্রাধান্য। গোটা ছবি জুড়ে শুধু আকাশ থাকত। তিনি আকাশ, মেঘ, সূর্য সবকিছু দেখে ঠিক করতেন গল্পের কোন অংশটা সেদিন শুট করবেন এবং সেই কারণে সব ক্রু মেম্বার, কাস্ট সহ গোটা টিম আউটডোরে বসে থাকতো।

এটা আজকের দিনে পরিচালকরা হয়তো কল্পনাও করতে পারেন না। আসলে আজকের দিনে তো পরিচালকদের এতটা সময়, এতটা লিবার্টি তো দেওয়া হয় না। আজকের বাজারে ধরে নেওয়া হয় কোনও ছবি বক্স অফিস সাফল্য না পেলে সেই ছবির পরিচালকের নাম কারও জানার অধিকার থাকেনা। সেখানে দাঁড়িয়ে আজকের পরিচালকরা বুদ্ধদার মতো করে ছবি বানানোর কথা ভাবতেও পারবেন না। তাদের কাছে সেটা অলীক কল্পনা। আমি আবারও বলব উনি যে লিবার্টি পেয়েছেন সেটা আজকের পরিচালকরা পাননা। উনার ছবি দেখে আগামীর পরিচালকরা ছবি বানানো শিখতে পারেন। তাঁর কাজ গুলি এক একটা মাস্টারক্লাস।

জয়া শীল ঘোষ
আজ সকালে খবরটা শোনার পর থেকে আমি শকড্। আমি বলব সত্যজিৎ রায়, হৃত্বিক ঘটক, মৃণাল সেনের পর বুদ্ধাদেব দাশগুপ্তের চলে যাওয়া ভারতীয় সিনেমায় অপূরণীয় ক্ষতি। আমি ভীষণই লাকি যে আমি উনার সাথে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলাম। আমার কাছে উনি আমার কাকু। আমি উনাকে কাকু বলে ডাকতাম। কাজের বাইরেও উনার সঙ্গে আমার পারিবারিক সম্পর্ক ছিল।

গত কালই আমি ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের পোস্টার কালেকশন, নিউজলেটার এগুলো দেখছিলাম। কী জানি এটা হয়ত কিছুর ইঙ্গিত ছিল! কাকুর জন্য আমি অনেক বড় জায়গায় যেতে পেরেছি। ‘উত্তরা’ ছবি থেকেই একজন অভিনেত্রী হিসেবে আমি পরিচিতি পেয়েছি। আমি আমার স্বজন হারানোর বেদনা অনুভব করছি। মনে হচ্ছে আমি আমার পরিবারের একজন কাউকে হারিয়েছি। আরও একটা কথা বলব, কাকু নিজে কবিতা লিখতেন। তাই উনি ক্যামেরা দিয়ে উনার ছবিতে কবিতা ফুটিয়ে তুলতে পারতেন। আশা করি উনার সিনেমার পর্দায় এই কবিতা ফুটিয়ে তোলার কাজ নিশ্চয়ই পরবর্তী প্রজন্মের কেউ করে দেখাবেন। কারণ কাকু অনেক জনকে কাজ শিখিয়েছেন, অনুপ্রাণিত করেছেন।

শ্রীলেখা মিত্র
কাজের বাইরে আমার বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের সাথে খুব একটা বেশি পরিচিতি ছিল না। ‘মন্দ মেয়ের উপাখ্যান’এ আমি যখন উনার সাথে কাজ করেছি তখন আমি অনেকটা ছোট ছিলাম। একটা ভয়ও কাজ করত। পরে উনার সাথে আমার আরেকটা কাজ করার কথা ছিল। কিন্তু সেই কাজটা আর করা হয়ে ওঠেনি। সেটা সমীরা রেড্ডি করেছিল। উনি খুব সুন্দর করে কথা বলতেন। সকলেই জানেন বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের ফ্রেম সেন্স ছিল মারাত্মক। পুরুলিয়া উনার খুব পছন্দের জায়গা ছিল। তাই পুরুলিয়ার বিভিন্ন জায়গা তিনি তাঁর ছবিতে বার বার দেখিয়েছেন। ল্যান্ডস্কেপ, আকাশ, হরাইজন খুব সুন্দর ভাবে তিনি তাঁর ছবিতে ফুটিয়ে তুলেছিলেন। ফ্রেমিংটা উনি খুব ভালো বুঝতেন। ছবির মাধ্যমে খুব ভালো গল্প বলতেন তিনি। এত ভালো ক্যামেরার ফ্রেমিং ছিল উনার যেগুলোর কোনও তুলনা হয় না।

- Advertisement -

সপ্তাহের সবচেয়ে জনপ্রিয় সংবাদ

কলকাতা থেকে দফতর সরাচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, আশঙ্কায় বহু কর্মী

খাস খবর ডেস্ক: কেন্দ্রের অধীনে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার সদর দফতর কলকাতা থেকে সরিয়ে ফেলা হতে পারে অন্য রাজ্যে। যার জেরে কর্মহীন হয়ে পড়তে পারেন...

ভবিষ্যৎ ইনভেস্টরই ঠিক করবে, এফএসডিএল এর বৈঠকের পর বক্তব্য ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তার

কলকাতা: ক্লাব ইনভেস্টর জটের মাঝে অন্ধকার ইস্টবেঙ্গলের ভবিষ্যৎ। ইনভেস্টর শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে সম্পর্ক প্রায় শেষ হওয়ার পথে। এরই মধ্যে বুধবার ছিল এফএসডিএল এর বৈঠক।...

চাকরি করতেন শিল্পমন্ত্রী, বাংলায় ব্যবস্থা গুটাচ্ছে সেই সংস্থা

খাস খবর ডেস্ক: ফের ঝাঁপ বন্ধ করতে চলেছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা। স্টিল অথরিটি অফ ইন্ডিয়া ওরফে সেল-র দফতর রাজ্য থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।...

“দিদি বললেই সই হবে”, প্রিয় ক্লাবের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা

কলকাতা: ধৈর্য্যের বাধ ভেঙে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের। প্রিয় লাল-হলুদ ক্লাবকে তারা আর এত জর্জ্রিত অবস্থায় দেখতে পারছে না। রে। ফুটবলারদের বকেয়া বেতন মামলায় ফিফার...

খবর এই মুহূর্তে

কেন্দ্রের শীর্ষ নেতাদের ডাকে ফের দিল্লি যাচ্ছেন শুভেন্দু, শুরু নতুন জল্পনা

কলকাতা: কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রের শীর্ষ নেতাদের ডাকে দিল্লি গিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তার এক মাস কাটেনি এখনও তার মধ্যেই আবারও জরুরি ডাক...

আস্থা হারিয়ে তৃণমূলে, জেলায় ফের শক্তিক্ষয় গেরুয়া শিবিরের

বাঁকুড়া: ফের শক্তিক্ষয় বিজেপির। এবার পাত্রসায়রের ব্লকে গেরুয়া শিবিরে ভাঙন ধরিয়ে শক্তিশালী ঘাস ফুল শিবির। বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে রাজ্য জুড়ে বিজেপিতে...

ফিস্টের খাওয়া নিয়ে গণ্ডগোল, শুরু বোমাবাজি

হাওড়া: বর্ষণমুখর রাতে কয়েকজন বন্ধু মিলে শান্তিতে ফিস্ট করে খাওয়া দাওয়ার প্ল্যান করে। কিন্তু এই ফিস্ট ই যে কাল হয়ে উঠবে কে জানতো। সামান্য...

বাড়ছে করোনা, ব্রিটেনে টিকার বুস্টার ডোজের আবেদন চিকিৎসকদের

খাসখবর ডেস্ক: প্রায় দুই বছর ধরে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এই প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস। সারা বিশ্ব এখন এই মারণ ভাইরাসের তাণ্ডব কমলেও বেশ কয়েকটি দেশ বিপর্যস্ত...