কেন ইতিহাস বইয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম থাকবে, ব্যাখ্যা দিলেন চেয়ারম্যান

0
50
partha chatterjee

কলকাতা: টাকার বিনিময়ে হাজার হাজার শিক্ষিত পড়ুয়ার জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অভিযোগ আগে থেকেই ছিল তাঁর বিরুদ্ধে৷ সম্প্রতি তাঁর ঘনিষ্ঠ বান্ধবীর বাড়ি থেকে নগদ ৫১ কোটি টাকা উদ্ধারের ঘটনায় সেই অভিযোগ আরও জোরাল হয়েছে৷ ইডি হাজতে থাকা সেই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূলের প্রাক্তন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) নাম মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ইতিহাস বই থেকে সরানো হচ্ছে না৷ কেন সরানো হবে না, সোমবার শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে পাশে বসিয়ে তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন রাজ্য শিক্ষা দফতরের অধীনস্থ সিলেবাস কমিটির চেয়ারম্যান অভীক মজুমদার৷

সোমবার বিকাশ ভবনে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর পাশে বসেই পাঠ্য পুস্তকে পার্থ (Partha Chatterjee)  ইস্যুতে অভীকবাবু বললেন, ‘‘ওই বইতে যে বাক্য রয়েছে তাতে কোনও ভুল নেই। ২০১৬ সালে লেখা হয়েছিল। সেই সময়ের প্রেক্ষিতে সেটা সত্য ছিল। আরও ঐতিহাসিক ভাবে সেটা সত্যি।’’ এখানে উল্লেখ করা থাক, পালা বদলের বাংলায় অষ্টম শ্রেণির পাঠ্য হিসাবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ‘অতীত ও ঐতিহ্য’ বইতে স্থান পেয়েছে সিঙ্গুর আন্দোলন পর্বের কথা। সেখানেই উল্লেখ রয়েছে, ‘সেই আন্দোলনকে সুসংহত করে তার নেতৃত্ব দিলেন শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলনেতা পার্থ চ্যাটার্জী।’

- Advertisement -

বস্তুত, যখন এই সিঙ্গুর ইস্যু পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, তখনই জনমতের একাংশ এর প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন৷ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নাম জড়ানো পার্থবাবুর (Partha Chatterjee)  বিরুদ্ধে কোটি টাকা উদ্ধারের ঘটনায় মামলা দায়ের হওয়ায় তাঁকে খোয়াতে হয়েছে মন্ত্রিত্ব৷ একই সঙ্গে দলের পদও৷ এহেন আবহে পাঠ্যপুস্তকে তাঁর নাম রাখা কতটা সঙ্গত তা নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন উঠেছে৷ যদিও এদিন রাজ্য শিক্ষা দফতরের অধীনস্থ সিলেবাস কমিটির চেয়ারম্যানের মন্তব্যের পর সব মহলের অভিমত, এই ইস্যুতে পার্থের পাশেই থাকছে রাজ্য৷ যা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক৷

এদিকে এদিন বিকাশ ভবনের সাংবাদিক বৈঠক থেকে শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানান, আপার প্রাইমারি, নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশের রিক্রুটমেন্ট নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সহানুভূতির সঙ্গে আইনের মেলবন্ধন ঘটাতে হবে৷ লিগ্যাল কি প্রসেস আছে সেটা নিয়ে মিটিংয়ে বসব। ইল-লিগ্যাল কিছু হবে না। পুজোর মধ্যে রিক্রুটমেন্ট প্রসেস শুরু করার ভাবনা। আইনি ক্ষেত্রে বদলানো হচ্ছে। আইন মিনিস্টারের কাছে তা পাঠানো হবে৷

আরও পড়ুন: আমায় একটু জায়গা দাও, আমি মন্ত্রিত্বে বসি: Madan Mitra