সরকারি হাসপাতালে আয়াদের দাদাগিরি: মেয়ে হলে ৩০০, ছেলে হলে ৫০০ টাকা চাঁদা

0
13

বর্ধমান: রাজ্যবাসীর সুবিধার্থে রাজ্যের প্রতিটি হাসপাতালে ন্যায্য মূল্যের ওষুধ দোকান চালু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ উদ্দেশ্য, দরিদ্র মানুষ যাতে নি-খরচায় বা অল্প খরচে চিকিৎসা পরিষেবা পেয়ে থাকেন৷ কিন্তু বর্ধমানের কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের লেবার রুমে সামনে এল উলোট পুরাণের ছবি৷ এখানে সন্তান প্রসব হলেই দিতে হবে টাকা৷ নতুবা সহ্য করতে হবে হাজারও জুলুম৷ টাকার অঙ্কও নির্ধারণ করে রাখা আছে৷ পুত্র সন্তান হলে ৫০০ টাকা, কন্যা সন্তান হলে ৩০০ টাকা৷ এমনই অভিযোগ সদ্যোজাতদের পরিবারের৷

অভিযোগ, হাসপাতালের তৃতীয় তলের লেবার রুমের ওয়ার্ড গার্লরা এমনি ফতোয়া জারি করেছেন৷ ফলে বাধ্য হয়ে তাদের দাবিমতো টাকা দিতে বাধ্য হচ্ছেন সদ্যজাতের পরিবারেরা৷ বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই সোমবার হাসপাতাল চত্বরে ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য৷ হাসপাতালে আসা দরিদ্র ও দুঃস্থ প্রসূতির পরিজনদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এখানকার লেবাররুমে এমন জোরজুলুম চলছে৷ মেয়ে হলে ৩০০ টাকা আর ছেলে হলে ৫০০ টাকা ধার্য করা হচ্ছে৷ কিছু কম পয়সা দিলেও ওরা মানতে চায় না৷ জোরজুলুম চলতেই থাকে৷

বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে, সরকারি হাসপাতালে কেন এমন জোরজুলুম? কেনই বা চিকিৎসার জন্য নেওয়া হবে বাড়তি টাকা? যদিও হাসপাতালের সহকারি সুপার সুব্রত সামন্তর দাবি, ‘‘আপনাদের মুখেই এইরকম শুনলাম৷ আমার কাছে কোনও পেশেন্ট পার্টি এখনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলেই নেওয়া হবে কড়া ব্যবস্থা।’’

আরও পড়ুন: নিয়োগ কেলেঙ্কারি পরোক্ষে স্বীকার করে মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় শুভেন্দু