‘শুভেন্দু আমাকে ব্ল্যাকমেল করত’, বিস্ফোরক সুদীপ্ত সেন

0
110

কলকাতা: সারদা মামলায় বিধাননগর এমপি এমএলএ আদালতে ট্রায়েল দিতে এসে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আনলেন সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন। এদিন আদালত থেকে বেরানোর সময় সুদীপ্ত দাবি করেন, ‘‘টাকার জন্য শুভেন্দু আমাকে ব্ল্যাকমেল করত!’’ দ্বিতীয় চিঠির বয়ানে কার নাম ছিল জিজ্ঞাসা করলে সুদীপ্ত সেন বলেন, ‘‘শুভেন্দু অধিকারী।’’

বস্তুত, রাজ্যের বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি সরব শুভেন্দু৷ এবার সেই শুভেন্দুর বিরুদ্ধেই সারদা কর্তা টাকার জন্য ব্ল্যাকমেলের অভিযোগ নিয়ে আসায় বিষয়টিকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে৷ যদিও এখনও সারদা কর্তার প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে শুভেন্দুর কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি৷

- Advertisement -

বস্তুত, এদিন একটি মামলার শুনানিতে এমপিএমএলএ আদালতে এসেছিলেন সুদীপ্ত৷ জয়ন্ত বেরা নামে সারদার এক এজেন্ট সাঁতরাগাছি থানায় সারদা সংস্থার কর্ণধার সুদীপ্ত সেন, বীরেশ রায় এবং সুপ্রিয়া রায়ের নামে ৭ লক্ষ টাকার প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন। তার অভিযোগ ছিল, বীরেশ রায়, তার স্ত্রী সুপ্রিয়া রায় এবং সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে কথা বলে তিনি সারদা কনস্ট্রাকশন কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড এবং সারদা রিয়ালিটি ইন্ডিয়া নামের দুই সংস্থায় ৭লক্ষ ১৫ হাজার টাকা দিয়ে প্রতারিত হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সেই কোম্পানি গুলিতে তিনি টাকা দিয়েছিলেন কুণাল ঘোষ এবং সোমনাথ রায়ের নানা জায়গায় ওই সংস্থার নামে প্রচারে অনুপ্রেরিত হয়ে। এই অভিযোগে ভিত্তিতে সুদীপ্ত সেন, বীরেশ রায়, সুপ্রিয়া রায়, কুণাল ঘোষ এবং সোমনাথ রায়ের বিরুদ্ধে ভারতীয় সংবিধানের ৪২০, ৪০৬, ৫০৬ এবং ৩৪ ধারায় মামলা শুরু হয়। ২০১৪ সালে এই মামলায় চার্জশিট পেশ করা হয়।

এরপরই প্রায় ৮ বছর পর এই অভিযোগ থেকে কুণাল ঘোষ এবং সোমনাথ রায়কে মুক্তি দেয় আদালত। তবে আদালত তাদের বিরুদ্ধে ১২০ বি ধারায় ষড়যন্ত্রের মামলা করতে নির্দেশ দেন। তবে আজ এই মামলায় চার্জ হিয়ারিংয়ে আদালত সুদীপ্ত সেনের বিরুদ্ধে প্রতিটি ধারায় মামলা বজায় রাখে৷ অপর দিকে অন্য দুই অভিযুক্ত বীরেশ রায় এবং আর স্ত্রী সুপ্রিয়া রায়ের বিরুদ্ধে ৪২০ ধারায় মামলা চালানোর নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন: সিটি অফ জয় এখন সিটি অফ রিটায়ারমেন্ট, কেন বললেন রাজ্যপাল