নিয়োগে কেলেঙ্কারি, পুরো প্যানেলটাই খারিজের দাবি বিচারপতির

0
195

কলকাতা: স্কুলে শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মী নিয়োগে যেভাবে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির পরিসংখ্যান সামনে আসছে তাতে পুরো প্যানেলটাই খারিজ করার দাবি উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে৷ এবার এই জল্পনা উস্কে দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু৷

বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ‘‘এরা কেমন শিক্ষক? এরা সমাজ গড়বেন?’’ জবাবও দিয়েঠেন বিচারপতি বসু নিজেই৷ বলেছেন, ‘‘সবার আগে দরকার আর্বজনা পরিষ্কার করা সেজন্য প্রয়োজনে এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার পুরো প্যানেলটাই বাতিল করা উচিত৷’’ এমনকি অবৈধভাবে নিয়োগের প্রক্রিয়ায় যারা জড়িত তাঁদেরও কঠোর শাস্তির দাবি শোনা গিয়েছে বিচারপতির কন্ঠে৷ বলেছেন, ‘‘এ তো হিমশৈলের চূড়ামাত্র। গোটা হিমশৈল জলের নীচে আছে। একের পর এক যা উঠে আসছে তা ভয়ঙ্কর পরিসংখ্যান।’’

- Advertisement -

বস্তুত, বেআইনিভাবে যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের কেউই নিস্তার পাবেন না৷ ছাড় দেওয়া হবে না কাউকেই৷ বুধবার ফের নিজের একটি নির্দেশে সেটাই স্পষ্ট করেছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়৷ বিচারপতির কথায়, ‘‘নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ পরীক্ষায় প্রচুর সংখ্যক সাদা খাতা জমা দেওয়া হয়েছে। কিছু খাতায় শুধুমাত্র পাঁচ-ছ’টি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে। তার পরও (ওই চাকরিপ্রার্থীরা) ৫৩ নম্বর পেয়েছেন। এ ছাড়া গ্রুপ ‘সি’ এবং গ্রুপ ‘ডি’-র পরীক্ষায়ও একই জিনিস হয়েছে।’’

আদালত সূত্রের খবর, নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সিবিআইয়ের তরফে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চে জমা দেওয়া রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে৷ তদন্তকারীদের দাবি, দু’একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে এবং সাদা খাতা জমা দিয়েই নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষকতা এবং গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি পর্যায়ে চাকরিতে নিয়োগের মেধাতালিকায় জায়গা পেয়েছেন অন্তত আট হাজার জন। বিষয়টি শোনার পর চমকে ওঠেন বিচারপতি বসুও৷ তারই জেরে পুরো প্যানেলটাই বাতিলের দাবি জানিয়েছেন তিনি৷

আরও পড়ুন: কপালে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করার হঁশিয়ারি, অভিষেকের বিরুদ্ধে FIR এর আবেদন সুকান্তের

আরও পড়ুন: https://play.google.com/store/apps/details?id=app.aartsspl.khaskhobor