শ্লীলতাহানির অভিযোগ তোলার জন্য নির্যাতিতার ওপর চাপ, কাঠগড়ায় মমতার পুরপ্রধান

0
161
minor girl rape

কাঁথি: পুরসভায় মধ্যে এক মহিলা কর্মীর শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে৷ অভিযোগ, কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে শ্লীলতাহানির শিকার হওয়া ওই মহিলা কর্মীর তিন মাসের বেতন আটকে রেখেছেন পুরপ্রধান৷ এমনকি দেওয়া হয়নি প্রাপ্য বোনাসও৷ উল্টে প্রতিবাদী মহিলা কর্মীকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগ৷ যার জেরে ফের বিতর্কে কাঁথি পুরসভার পুরপ্রধান সুবল কুমার মান্না! পুরপ্রধানের এই স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন ওই মহিলা পুর কর্মী।

বস্তুত, গত জুন মাসে ১১ নং ওয়ার্ডের একাধিক সমস্যা নিয়ে পুরপ্রধানের কাছে ডেপুটেশান দিতে গিয়ে ছিলেন বেশ কয়েকজন মহিলা। ওই দলের ছিলেন সংশ্লিষ্ট পুরকর্মীও৷ ডেপুটেশনস্থলে ওই মহিলার শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠেছিল ৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার আলেম আলি খানের বিরুদ্ধে৷ বিচার চেয়ে মহিলা কাঁথি থানা ও রাজ্য মহিলা কমিশনে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা।

- Advertisement -

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রতিবাদী ওই মহিলা বলেন, ” গত তিন মাস আমার বেতন আটকে রেখেছেন পুরপ্রধান৷ বোনাসও দেননি৷ কারণ জানতে চাওয়ায় পুরপ্রধান বলেছেন, আলেম আলি খানের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে ও মামলা প্রত্যাহার করতে হবে৷ তবেই উনি বেতন ছাড়বেন৷’’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘আমি একজন নিরুপায় মহিলা। মা-মেয়ে দুজন থাকি। আমার রোজগারেই সংসার চলে। তাই উনি ভাতে মারতে চাইছেন৷ তবে অন্যায়ের কাছে মাথা নত করব না৷ প্রয়োজনে বিচারের জন্য জেলাশাসকের কাছে যাব৷ বিচার না পেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে গিয়ে ধর্ণায় বসব৷’’

যদিও কাঁথির পুরপ্রধান সুবল কুমার মান্না ওই মহিলাকে পুরসভার কর্মী নন বলে দাবি করেছেন। একই সঙ্গে উড়িয়ে দিয়েছেন শ্লীলতাহানির অভিযোগও৷ পুরপ্রধানের এই বক্তব্যের পর রীতিমতন একাধিক প্রশ্ন চিহ্ন দেখা দিয়েছে৷ প্রশ্ন উঠছে, ওই মহিলা পুরসভার কর্মী না হলে এতদিন কাঁথি পুরসভা থেকে বেতন পেলেন কীভাবে৷ বস্তুত, নির্যাতিতা ২০০৭ সাল থেকে কাঁথি পুরসভার অন্তর্গত একটি শিশু শিক্ষাকেন্দ্রে শিক্ষিকা কাজ করেন!

আরও পড়ুন: কোথাও উড়ছে টাকা, কোথাও অভাবের তাড়নায় সন্তানকে গলা টিপে খুন করছে মা