বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে যেতে অস্বীকার, স্কুল ছাত্রীকে খুন করল ব্যক্তি

0
19
Murder

পাটনা: দিল্লির শ্রদ্ধাকে ভয়ানক ভাবে খুন করার ঘটনা সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বেশকতগুলি রাজ্যে থেকে পাওয়া গিয়েছে প্রেমিকা বা স্ত্রী খুনের ঘটনা। এই ধরণের অপরাধই বর্তমান সমাজের কাছে যথেষ্ট চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এবার যে ঘটনা সামনে এসেছে সেটাও রীতিমত চাঞ্চল্যকর। বিবাহিত যুবকের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে না জড়াতে চাওয়ার কারণেই খুন হয়েছেন ১৮ বছরের যুবতী।

চণ্ডীগড় পুলিশ ২৫ বছর বয়সী বিহারের বাসিন্দাকে গ্রেফতার করেছে। যে বুড়াইলে তার বাসভবনে ১৮ বছর বয়সী স্কুল ছাত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে বলেই পুলিশ জানিয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত, মোহাম্মদ শারিক বিবাহিত এবং বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জন্য মেয়েটিকে তার সাথে থাকার জন্য চাপ দিচ্ছিল। ১৮ বছর বয়সী নির্যাতিতা যখন তার বিবাহিত অবস্থা সম্পর্কে অবগত হন, তখন যুবতী ওই ব্যক্তির সঙ্গে থাকতে অস্বীকার করেন এবং কথা বলা বন্ধ করেন। পুলিশ জানিয়েছে যুবতী কথা বলা বন্ধ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ব্যক্তি ১৮ বছরের যুবতীকে খুন করেছে। তদন্তের সঙ্গে যুক্ত অফিসাররা জানিয়েছেন, খুনের পর পালানোর চেষ্টা করার সময় সেক্টর-৪৩ বাসস্ট্যান্ড থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, “অভিযুক্তকে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে ধরা হয়েছে কারণ তাকে মেয়েটির বাড়িতে প্রবেশ এবং বের হতে দেখা গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি একতরফা ঘটনা বলে মনে হচ্ছে, তবে তদন্ত এবং ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।”

- Advertisement -

আরও পড়ুন- জেলের মেয়াদ শেষ, ১০ বছর পর পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীকে মুক্তি দিল ভারত সরকার

পুলিশ আরও জানিয়েছে, দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী, অভিযুক্ত যে এলাকায় থাকে সেখানেই একটি ভাড়া বাড়িতে তার মা ও ছোট ভাইয়ের সঙ্গে থাকত। দুজনের যোগাযোগ ছিল, তবে মেয়েটির হত্যার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। ঘটনাটি ১৯ নভেম্বর ঘটেছিল। সেই সময়ে যুবতীর ভাই স্কুলে গিয়েছিল এবং তার মা যিনি গৃহকর্মী হিসাবে কাজ করেন তিনি কাজের জন্য বাইরে গিয়েছিলেন। বিকেলে বাড়ি ফিরে নিহতের যুবতীর ভাই ঘরের দরজা খুলে তাকে বিছানায় অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তিনি তার মাকে ডাকেন, এবং মেয়েটিকে তাদের প্রতিবেশীদের সহায়তায় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয় এবং মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।