গভীর রাতে বোমা-গুলির স্পর্শে তপ্ত হাবরা, প্রশ্নের মুখে বাংলার কানুন

0
45

হাবরা: দুষ্কৃতী হামলার জেরে এবার উত্তপ্ত হাবড়া। বুধবার গভীর রাতে হাবড়ায় চলল বোমা-গুলি। বোমার ও গুলির আঘাতে জখম দু’জন৷ বোমাবাজির জেরে বাসিন্দারা এতটাই আতঙ্কিত য়ে পড়েন, যে আতঙ্কে বাড়ি ছেড়ে রাতভর খোলা আকাশের নিচে কাটান তাঁরা৷ যার জেরে ফের প্রশ্নের মুখে বাংলার আইন-শৃঙ্খলা৷ বৃহস্পতিবার সকালেও এলাকায় রয়েছে আতঙ্ক এবং উত্তেজনা৷ চলছে পুলিশি টহলদারি৷

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন রাজু ঘোষ ও শান্তনু রায় নামে দুই যুবক । আহতরা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন৷ বুধবার রাতে হাবড়া শ্রীনগর এলাকায় হঠাৎ করেই কিছু দুষ্কৃতী আসে এবং মুড়ি মুরকির মতো বোমাবাজি শুরু করে৷ সেই সময় বাড়িতে থাকা দুই তৃণমূল কর্মীর ওপরও দুষ্কৃতীরা হামলা চালায়৷ যার জেরে দু’জন জখম হয়৷ রাত দুপুরে এমন বোমাবাজির আওয়াজে এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক৷ এই বোমাবাজির খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসে হাবড়া থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোল ও তাজা বোমা উদ্ধার করে।

ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এলাকার বাসিন্দারা দুষ্কৃতী তাণ্ডবের পর এতটাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যে রাতেই তারা নিজেদের ঘর ছেড়ে বেরিয়ে এসে মাঠে রাত কাটান। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে পরিস্থিতির জন্য পুলিশি নিস্ক্রিয়তাকেই দুষেছেন বাসিন্দারা৷ এই বিষয়ে বৃহস্পতিবার সকালে মুখ খুলেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষও৷ তিনি বলেন, ‘‘রোজই গুলি চলছে। নির্বাচনে এরা জিতিয়ে দেয় তাই সরকার এদের খোলা ছুট দিয়েছে। ওরাও জানে ওদের কিছু হবে না। এর সমাধান নেই। এই সরকারের পক্ষে সমাধান করা সম্ভবও নয়।’’ দাবি করেছেন, ‘‘প্রতিদিন যেভাবে খুন, ধর্ষন, গুলি সহ নানান অপরাধ বাড়ছে তাতে মনে হয় পুলিশের সংখ্যা কম আছে, না হয় যোগ্যতা নেই, না হয় পুলিশকে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না।’’

আরও পড়ুন: শিক্ষায় কালি: মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা খতিয়ে দেখার দাবি