জুলাই মাসেই বন্ধ হতে চলেছে রাজ্যের স্কুলগুলি

0
923
প্রতিকী ছবি

কলকাতা:  ফের শিক্ষা ক্ষেত্রে বড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে রাজ্য সরকার৷ প্রায় ২ বছর রাজ্যে বন্ধ ছিল সমস্ত স্কুলগুলি৷ এরপর করোনা পরিস্থিতি কাটিয়ে ধীরে ধীরে ফের ছন্দে ফিরেছে৷ কিন্তু আবারও পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত অভিভাবকরা৷ কারণ, রাজ্যে আঁচড়ে পড়তে চলেছে করোনার চতুর্থ ঢেউ৷ এমনটাই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞরা৷

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি মাসে ইতিমধ্যে সংক্রমণের গণ্ডি তিন হাজার ছাড়িয়েছে৷ এই হারে সংক্রমণের সংখ্যা বাড়তে থাকলে মাসের শেষের দিকে পাঁচ হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়ে যাবে৷ এমনটাই দাবি বিশেষজ্ঞদের৷ তাই ফের কপালে চিন্তার ভাঁজ স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের৷

সূত্রে খবর, কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া সহ হুগলি জেলাগুলিতে ফের বেড়ে গিয়েছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা৷ তাই ফের চিন্তা বাড়ছে স্কুল পড়ুয়াদের নিয়ে৷ তাই বড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে মমতার সরকার৷ যদিও অভিভাবকরা এই বিষয়ে ইতিমধ্যে চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন৷

তাই বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি৷ সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, জুলাই মাসেই বন্ধ হতে পারে রাজ্যের সমস্ত স্কুলগুলি৷ যদিও এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ খরব প্রকাশ্যে আসতেই ফের ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত অভিভাবকরা৷

তবে স্কুল শিক্ষা দফতরের আধিকারিকেরা চিন্তাভাবনা করছেন যাতে পুরোপুরি ফের স্কুল বন্ধ না করা হয়৷ ধাপে ধাপে তা চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছেন তাঁরা৷ অর্থাৎ স্কুলের পড়ুয়াদের ক্লাসগুলিকে দুই ভাগে ভাগ করা হতে পারে৷

একটি ভাগ সোম, বুধ, শুক্রবার স্কুলে এসে ক্লাস করবে এবং অপর ভাগটি মঙ্গল, বৃহস্পতি ও শনিবার এসে ক্লাস করবে৷ কিন্তু তারপরেও যদি দেখা যায় সংক্রমণ ক্রমশ বাড়ছে তখন বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে৷ সেক্ষেত্রে ফের বন্ধ হতে পারে স্কুলের দরজা, চালু হতে পারে অনলাইনে পঠনপাঠন৷

তবে অনলাইনে পড়াশোনায় একাংশ অভিভাবকদের রয়েছে অমত৷ তাঁদের কথায়, অনলাইনে সঠিকভাবে পড়াশোনা হয় না৷ তাই স্কুল বন্ধে তাঁদের সায় নেই৷ তবে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়া অনেকেই বাচ্চাদের শরীরের কথা ভেবে সম্মতি দিয়েছেন৷

বৃহস্পতিবার রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর পেশ করা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলায় এখন কোভিড সংক্রমণের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮.৭৪ শতাংশ৷ তাই বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন রাজ্যে আঁচড়ে পড়তে চলেছে করোনার চতুর্থ ঢেউ৷