লকডাউনের সপ্তমদিনে বাংলাদেশে উধাও বিধি-নিষেধ

0
43
প্রতীকী ছবি

খাসখবর ডেস্ক: সংক্রমণ রোধের বাংলাদেশে চলছে কড়া লকডাউন। তবে কড়া লকডাউনের সপ্তমদিনে রাস্তায় উধাও বিধি-নিষেধ। সড়কে গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করেই মানুষের ভিড় দিন দিন বাড়ছে। যার জেরে সংক্রমণ কমার তুলনায় আরও বেশি ছড়াচ্ছে।

এবিষয়ে জনস্বাস্থ্যবিদেরা সতর্ক করে বলছেন, টানা এত দিনের লকডাউনেও এই পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি। বরং বিধি নিষেধ অমান্য করায় দেশে দিন দিন বাড়ছে সংক্রমণ। সংক্রমণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশে বাড়বে মৃত্যুর সংখ্যা। তবে এই লকডাউন এর ফলে কতটা সুফল আসবে দেশে এই নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন অনেকেই।

- Advertisement -
প্রতীকী ছবি

প্রসঙ্গত, দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় তিনদিন ব্যাপী লকডাউন চলার পর প্রশাসন সাতদিনের কড়া লকডাউন ঘোষণা করেছিল। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

এরপর চলতি সপ্তাহের সোমবার মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, করোনার সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগের সব বিধিনিষেধ ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় বজায় থাকবে। বিধিনিষেধ ৭ জুলাই মধ্যরাত থেকে ১৪ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত আরোপ করা হল। এই বিধিনিষেধ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটি।

প্রতীকী ছবি

তবে সরকার থেকে কড়া লকডাউন ঘোষণা করলেও বিনা কারণে অনেককেই রাস্তায় বের হতে দেখা যায়। রাস্তায় পুলিশ বাহিনী ও মোড়ে মোড়ে চেকপোস্ট থাকা সত্বেও মানুষের ভিড় লক্ষ্য করার মতো। শুধু তাই নয় প্রায় সাত দিনে কয়েকশো মানুষে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একইসঙ্গে লক্ষ লক্ষ টাকার জরিমানা ও দিতে হয়েছে তাদের। তবুও কোনও রকম পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে না দেশে।

উল্লেখ্য, করোনার বিপর্যস্ত তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ২৯তম। এখন পর্যন্ত দেশে নয় লক্ষ ৬৬ হাজার ৪০৬ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৫ হাজার ৩৯২ জনের। সেরে উঠেছেন আট লক্ষ ৪৪ হাজার ৫১৫ জন।