কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন আনছে জনসন অ্যান্ড জনসন

0
294

নিউজার্সি: করোনা মহামারী আটকাতে তৎপর সারা বিশ্ব। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভ্যাকসিন তৈরির কাজে লেগে পড়েছে বিশ্বের গবেষক ও বিজ্ঞানীরা। ‘জনসন অ্যান্ড জনসন’-ও নেমে পড়েছে ভ্যাকসিনের খোঁজে। বায়োমেডিক্যাল অ্যাডভান্সড রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটির যৌথ উদ্যোগে এই ভ্যাকসিন তৈরি করছে জনসন অ্যান্ড জনসনের রিসার্চ উইং জ্যানসেন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি।

সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ভ্যাকসিন তৈরির প্রথম পর্যায়ে শেষ। সম্ভবত সেপ্টেম্বর মাসেই মানুষের শরীরে এই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু হবে। ভ্যাকসিন তৈরির বিষয়ে সংস্থার চিফ এক্সিকিউটিভ এবং চেয়ারম্যন অ্যালেক্স গোরস্কি জানিয়েছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসের জন্য ভ্যাকসিন তৈরির কাজ জোরকদমে চলছে। বিশ্বের অন্যতম হেলথকেয়ার সংস্থা হিসেবে পিছিয়ে নেই জনসন অ্যান্ড জনসনও।

- Advertisement -

কোভিড-১৯ মহামারী ঠেকাতে ‘ভ্যাকসিন ক্যানডিডেট’ তৈরির কাজ প্রায় শেষ। প্রথম পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হবে এবছরের সেপ্টেম্বরেই। সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের উপরে প্রয়োগ করে দেখা হবে এই ভ্যাকসিনের ক্ষমতা কতটা। অ্যালেক্সের কথায়, ভাইরাল প্রোটিনকে শনাক্ত করে মানুষের দেহকোষের অ্যান্টিবডি তৈরির ক্ষমতা বাড়াবে এই ভ্যাকসিন। যে কোনও মারণ ভাইরাস হানা দিলে তার উপযোগী প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হবে মানুষের শরীরেই। এইভাবেই আগামী দিনেও মহামারী ঠেকানো সম্ভব হবে। সংস্থার তরফ থেকে টুইট করে এই বিষয়ে জানানো হয়েছে।

অ্যালেক্স আরও জানিয়েছেন, নভেল করোনাভাইরাসের জিনোম সিকুয়েন্স বিজ্ঞানীরা সামনে আনার পর থেকেই ভ্যাকসিন ক্যানডিডেট বানানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। বায়োমেডিক্যাল অ্যাডভান্সড রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটির পার্টনারশিপ তো বটেই, আরও অনেক মেডিক্যাল ইনস্টিটিউশন এই কাজে সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছে। ভাইরাল প্রোটিনকে শনাক্ত করে ভ্যাকসিন ক্যানডিডেটের ডিজাইন তৈরি করা হয়েছে। এই ভ্যাকসিন দেহকোষের যে কোনও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। এবছরের সেপ্টেম্বরে ভ্যাকসিনের প্রাথমিক পর্যায়ে টেস্টিং এর কাজ শুরু হবে। আগামী বছরের শুরুতেই এই ভ্যাকসিন বাজারে চলে আসবে।

ভ্যাকসিন ক্যানডিডেট এর কাজ হল দেহকোষে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করা যাতে বাইরে থেকে যে কোনও রকম আঘাত এলে শরীর তা সামলাতে পারে। ইতিমধ্যে, ক্যানডিডেট ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চলছে আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথে। এদের তত্ত্বাবধানেই মেসেঞ্জার আরএনএ সিকুয়েন্সকে কাজে লাগিয়ে ভ্যাকসিন ক্যানডিডেট তৈরি করেছে ম্যাসাচুসেটসের বায়োটেকনোলজি সংস্থা মোডার্না।