নিহত আইএসএফ কর্মীর বাড়িতে গিয়ে সিবিআই কর্তারা জানলেন ‘আসল’ ঘটনা

0
47

বারাসত: ফল প্রকাশ হয়েছিল ২ মে৷ আর ৩ মে রক্ত ঝরেছিল দত্ত পুকুর থানা এলাকার উলা পূর্ব পাড়াতে৷ হাসানুর জামানের রক্তে রাঙা হয়েছিল গ্রামের ধানক্ষেত৷ আঁতকে কুঁকড়ে গিয়েছিল আস্ত তল্লাট৷ লক্ষ্মীবারের সন্ধ্যায় সেই গ্রামেই হানা দিলেন সিবিআইয়ের দুঁদে আধিকারিকেরা৷ কথা বললেন, নিহত আইএসএফ কর্মী হাসানুর জমানের পরিজনদের সঙ্গে৷ জেনে নিলেন, সেদিন ঠিক কি ঘটেছিল গ্রামে৷

আরও পড়ুন: EXCLUSIVE: খবর তখনও যায়নি ১৪তলার ঘরে : খোশ মেজাজে চলছিল বালি চুরি থুড়ি লক্ষ্মী-কারবার

সূত্রের খবর, তদন্তে নেমে সিবিআই জানতে পেরেছে : ৩ মে উল পূর্বপাড়াতে মাঠের মধ্যে পাটক্ষেতে নিড়ানির কাজ করছিলেন হাসানুর জামান। সেই সময় কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁকে লক্ষ্য করে বোমা মারে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় হাসানুরের৷ স্থানীয়দেরা দাবি, এলাকায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া বোমাতেই মৃত্যু হয়েছে হাসানুরের৷ তবে ঘটনার পর তৃণমূলের তরফে অভিযোগ উড়িয়ে পাল্টা অভিযোগ করা হয়েছিল যে, আইএসএফের গোষ্ঠী কোন্দলের জেরেই হাসানুর জামানের মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন:  ‘সবটাই লোক দেখানো, দু’মাস পর বন্ধ হয়ে যাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’

সরকারি নথি অনুযায়ী, ভোট-পরবর্তী হিংসার প্রথম বলি হাসানুর৷ সেদিক থেকে ঘটনাটিকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছেন সিবিআইয়ের দুঁদে গোয়েন্দারা৷ ইতিমধ্যে নিহত আইএসএফ কর্মীর পরিজনদের সঙ্গে দেখা করে এসেছেন সংযুক্ত মোর্চার একমাত্র বিধায়ক পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকি থেকে শুরু করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিদল৷ এবার রক্ত ঝরা এলাকায় পা রাখল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা৷ স্বভাবতই, ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় শাসকের স্নায়ুর চাপ বাড়ছে- মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের৷