29 C
Kolkata
Tuesday, September 28, 2021
Home খাস পলিটিক্স নন্দীগ্রাম জমি আন্দোলনের সূচনায় তৃণমূলের কোনও ভূমিকা ছিল না

নন্দীগ্রাম জমি আন্দোলনের সূচনায় তৃণমূলের কোনও ভূমিকা ছিল না

(বাংলার পরিবর্তনের পীঠস্থান বলা হয় এই সব এলাকাকে৷ এমনই কিছু স্থান হল নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর, নেতাই, জঙ্গলমহল৷ বাংলায় পরিবর্তনের সময়কালে এসব এলাকায় ঠিক কী ঘটেছিল? কী ছিল সেই সব ঘটনার অন্দরে৷ সেই সময়কালে এই সমস্ত অন্দরের কাহিনি নিয়েই আমাদের এই বিশেষ ধারাবাহিক প্রতিবেদন ‘বাংলার রণভূমে রানার’৷ সেই সমস্ত ঘটনা খুব কাজ থেকে প্রত্যক্ষ করা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরছেন ‘খাস খবর’-এর এক্সিকিউটিভ এডিটর রানা দাস)

- Advertisement -

রানা দাস-এক্সিকিউটিভ এডিটর, খাস খবর

২০০৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর লালগড় থানার ঝিটকার জঙ্গলে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের তাজা ক্ষত সবে শুকিয়েছে। সেই বছরের নভেম্বর মাসের ১২ তারিখ, বিকেল চারটে নাগাদ আমার ইমিডিয়েট ‘বস’ বর্তমান পত্রিকার বর্ধমান ব্যুরো চিফ পুলকেশ ঘোষের ফোন! তাঁর নির্দেশ, আমাকে পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে বদলি করা হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরে। যত জলদি সম্ভব আমি যেন তমলুকে চলে যাই৷ আর তা এই নভেম্বর মাসেই৷

- Advertisement -

বর্তমান পত্রিকার জেলা সাংবাদিকদের সাধারণত ভাঙা মাসে অন্য জেলায় বদলি করা হয় না৷ তবে কেন আচমকা মাসের মাঝখানে আমাকে ওই জেলার দায়িত্ব? উত্তরে পুলকেশদার একটাই কথা, ‘এটা বরুণবাবুর (বরুণ সেনগুপ্ত) নির্দেশ। তোমাকে ওই জেলায় চটজলদি যেতে হবে। সেই জেলায় নন্দীগ্রাম বলে একটা ব্লক আছে, সেখানে প্রচুর জমি অধিগ্রহণ করা হবে, তা নিয়ে ভবিষ্যতে বড় আন্দোলন হতে পারে। এটা বাবুর (বরুণ সেনগুপ্তকে আমরা ‘বাবু’ বলেই ডাকতাম) ধারণা৷ তাই এখন থেকে তা নজর রাখতে হবে।’

পুলকেশদার কাছ থেকে ‘কড়া’ নির্দেশ পেয়ে খোঁজখবর নিতে শুরু করলাম৷ তাতে জানতে পারলাম, সিঙ্গুরে জমি আন্দোলন তখন তুঙ্গে, নন্দীগ্রামেও জমি নেওয়া হবে বাম মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সাধের কেমিক্যাল হাব গড়ার জন্য। বিষয়টি তখনও সেভাবে কোনও সংবাদমাধ্যমে আসেনি। বাংলার কোন সংবাদমাধ্যমে কোন খবরই তেমন হয়নি৷ তলে তলে নাকি হলদিয়ার ‘বেতাজ বাদশা’ লক্ষ্মণ শেঠের সঙ্গে বুদ্ধবাবু সালিম গোষ্ঠীদের হাতে জমি তুলে দেওয়ার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এর বেশি কোনও তথ্য আর পাচ্ছিলাম না। কিন্তু বসের নির্দেশে আমাকে যেতেই হবে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। হাতে সময় দেওয়া হয়েছে মাত্র চারদিন। অগ্যতা পরদিন মেদিনীপুরের বর্তমান পত্রিকার ক্যামেরাম্যান, আমার সব সময়ের সঙ্গী দেবনাথ মাইতিকে নিয়ে মাথা গোঁজার ঠাঁই খুঁজতে রওনা হই পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাসদর শহর তমলুকে। সঙ্গে অবশ্যই ছিল দেবনাথের সেই বিখ্যাত বাইক। ওই বাইকে চেপেই ফেব্রুয়ারি থেকে নভেম্বর, আমার ন’ মাসের মেদিনীপুর জেলায় কাজ করা। ঝিটকার জঙ্গলে সেই বাইকে চেপেই গিয়েছিলাম।

যাক মূল কথায় আসছি, এই ভূমিকা দেওয়ার কোনও দরকার ছিল না! আসলে নন্দীগ্রাম আন্দোলন নিয়ে অনেক বোদ্ধা, অনেক সংবাদপত্র প্রচুর কিছু ফাটিয়ে বেড়ায় তো, তাই বাংলার অন্যতম সংবাদপত্র বর্তমান যে এই জমি আন্দোলনের অনেক আগে থেকেই নন্দীগ্রামের কথা তুলে ধরেছিল, সেটা অনেকেরই অজানা। তার উপর শিল্পের পক্ষে থাকা আনন্দবাজারের ঘন ঘন ভোল বদলও হয়েছে এই নন্দীগ্রাম আন্দোলন সম্পর্কে। আনন্দবাজারের সেই পালটি খাওয়ার কথায় পরে আসছি।

- Advertisement -

১৪ মার্চ পুলিশের গুলি চালনার কথায় আসার আগে পাঠকদের জেনে নেওয়া দরকার কেন সেদিন গুলি চলেছিল। তার উৎস কোথায়? তখনও নন্দীগ্রামের জমি অধিগ্রহণের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে আসেনি। ১৮ নভেম্বর বর্তমান পত্রিকার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দায়িত্ব নিয়ে কাজ শুরু করি। নতুন জেলা, তেমন কাউকে চিনি না জানিও না। জেলার ভূগোলও প্রায় অজানা। তবে ২০০৬ সালের বিধানসভা ভোটের কভার করতে গিয়ে দু’-একজনের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল। তাতেই ভর করে কাজ শুরু। পরদিন ২০ নভেম্বর ওই জেলায় বর্তমান পত্রিকার চিত্র সাংবাদিক পার্থপ্রতিম দাস, একটি ইংরেজি দৈনিকের সংবাদদাতা মহিষাদলের সুমন মণ্ডলসহ আরও দু’-একজন সাংবাদিককে নিয়ে নন্দীগ্রামটা দেখতে গিয়েছিলাম। তবে সেদিন হলদিয়া হয়ে ঢুকেছিলাম। হলদিয়ার ঘাটে গাড়ি রেখে লঞ্চে করে নন্দীগ্রামের কেন্দেমারি ঘাটে গিয়ে পৌঁছয়। আগে থেকে স্থানীয় এসইউসিআইয়ের নেতাদের বলা ছিল আমাদের যাওয়ার কথা। কারণ, তখন একমাত্র এসইউসিআই নন্দীগ্রামের জমি না দেওয়ার আন্দোলন সংগঠিত করছিল। আর তাদের সঙ্গে আলাদা করে এই আন্দোলন সংগঠিত করছিল সিদ্দিকুল্লা চৌধুরির জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ আন্দোলনের ধারে কাছে তৃণমূল কংগ্রেস ছিল না৷ দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলন সংগঠিত করার ক্ষেত্রে কোন অবদান এবং ভুমিকা ছিল না তৃণমূল কংগ্রেসের৷

যাই হোক, বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ আমরা ওপারে কেন্দেমারি ঘাটে পৌঁছয়। সেখানে তখন এসইউসিআইয়ের নেতা ভবানী দাসসহ কয়েকজন অপেক্ষা করছিলেন আমাদের জন্য। আমাদের কথা মতো তাঁরা সেখানে একটি মশাল মিছিলও করেন। সেই মিছিলে ছিল হাতে গোনা মাত্র সাতজন। পরদিন বর্তমান পত্রিকায় সেই ছবিও ছেপেছিল। মজার কথা হল, একে দিনের বেলা, তার উপর মশাল মিছিল৷ দিনের আলো থাকার কারণে মশালের আলো স্পষ্ট ছিল না৷ আমার ক্যামেরাম্যান তার ডিএসএলআরে কারুকার্য করে, আলো কমিয়ে রাতের আবহ তৈরি করে মশাল মিছিলের ছবিটি করেছিল৷ দেখে মনে হয়েছিল, রাতের অন্ধাকারে মিছিল করা হয়েছে৷

সেদিনই ভবানীদার সঙ্গে পরিচয়। তিনি সবার অলক্ষ্যে আমার হাতে তুলে দিয়েছিলেন এক মোক্ষম অস্ত্র! তেমন কিছুই নয়। হলদিয়া ডেভেলপমেন্ট অথরিটি থেকে বের করে আনা সেই তথ্য। যাতে এইচডিএ-র চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসারের স্বাক্ষর করা সেই নথি। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, নন্দীগ্রাম ব্লকের ৯০টি মৌজার মধ্যে ৪৫টি মৌজার জমি কেমিক্যাল হাব গড়তে তুলে দেওয়া হচ্ছে সালিম গোষ্ঠীর হাতে। রাজ্য সরকারের কাছে পাঠানো সেই নথিতে উল্লেখ ছিল, কোন কোন মৌজার, কোন দাগ নম্বরে কত জমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে। একজন সাংবাদিকের কাছে এটা তখন একটা বড় হাতিয়ার, আগামী বেশ কয়েকদিন ধরে ফলোআপ চালিয়ে যাওয়ার জন্য। হাতছাড়া করিনি। দুদিন পরে সেই তথ্য সহ বর্তমানের প্রথম পাতার পেটে সবুজ তালিকা করে তা ছাপা হয়।

সেই শুরু হল নন্দীগ্রামের কথা রোজ বর্তমান পত্রিকার পাতায় তুলে ধরা। প্রতিদিন একটি করে নতুন অ্যাঙ্গেলে সংবাদ ছাপা হচ্ছে, অন্যদিকে নন্দীগ্রামে জোরদার হচ্ছে জমি না দেওয়ার আন্দোলন। এমনকি তখনকার শাসক সিপিআইয়ের স্থানীয় বিধায়ক ইলিয়াস মহম্মদও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন। দিন যত এগোচ্ছে, তপ্ত হতে থাকে নন্দীগ্রামের মাটি। এর মধ্যে এই আন্দোলনে নিজেকে জড়িয়ে নেন তৃণমূল কংগ্রেসের সদ্য উঠতি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় দিন তিনি নন্দীগ্রামে যাচ্ছেন, সভা-সমাবেশ করছেন। মানুষের সঙ্গে মিশে যাচ্ছেন, আর পরদিন বর্তমানের পাতায় ফলাও করে সংবাদ প্রকাশ হচ্ছে। ঘটনার এতদিন বাদে বলতে বাধ্য হচ্ছি, আমার উপরে চাপ ছিল, রোজ নন্দীগ্রামের খবর করতে হবে৷ আর তাই খবর ‘তৈরি’র জন্য শুভেন্দুকে নন্দীগ্রামে সভা, সমাবেশ করতে বলেছিলাম৷ যাতে প্রায় একটা করে খবর করা যায়৷ তখন রাজ্যের বহু মানুষই শুভেন্দুর নাম জানত না৷ তাঁর পরিচয় ছিল কাঁথির বিধায়ক শিশির অধিকারির ছেলে৷ তখনও শুভেন্দু আজকের জনপ্রিয় শুভেন্দু হয়ে ওঠেনি৷

একদিন সকালে পুলকেশদা ফোন করে বললেন, তুমি একি করছ? রোজ শুভেন্দুর নামে কপি করছ৷ শিশিরদা তো ক্ষেপে গিয়েছে৷ তিনি বাবুকে তোমার নামে কমপ্লেন করেছেন৷ বলেছেন, ‘শুভেন্দু কে? কেন রোজ শুভেন্দুর নামে খবর ছাপা হচ্ছে? আমি (শিশির অধিকারি) জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি৷ আমার নামে কেন খবর ছাপা হচ্ছে না৷’ কথা শুনে বেশ হাসি পেয়েছিল৷ পুলকেশদা বললেন, পারলে শিশিরদাকে ধরে একটা কপি কর৷ সেই মতো সেইদিনই শিশিরদাকে মোবাইলে যোগযোগ করেছিলাম৷ নন্দীগ্রামে সালিম গোষ্ঠীর কেমিক্যাল হাবের জন্য রাজ্য সরকার জমি অধিগ্রহণ করছে৷ তাতে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসে ভুমিকা কী? উত্তরে অনেক কথার মধ্যে শিশিরদা বলেছিলেন, ‘নন্দীগ্রামে জমি নিতে এলে বুদ্ধবাবুর ধুতিক কাছা খুলে নেওয়া হবে৷’ পরদিন বর্তমান পত্রিকায় এই কথাটিতেই হেডলাইন করে খবর প্রকাশিত হয়েছিল প্রথম পাতায়৷

এর মধ্যে একদিন রাতে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরির জমিউয়ে উলেমায় হিন্দ সংগঠনের এক নেতা, পেশায় কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী একটি নথি আমার হাতে তুলে দিয়েছিলেন। যা নন্দীগ্রামের আন্দোলনে এক ভিন্নমাত্রা যোগ করে। সিদ্দিকুল্লাদের সংগঠন প্রস্তাবিত অধিগৃহীত জমি সমীক্ষা করে জানতে পারে, ৪৫টি মৌজার প্রায় ৩৮ হাজার হেক্টর জমি সালিম গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়ার জন্য ছোট-বড় ১২২টি মসজিদ-মন্দির ধ্বংস করতে হবে। বর্তমান পত্রিকায় এই প্রতিবেদনটি প্রথম পাতার অ্যাঙ্কারে ৬ কলাম জুড়ে ছাপা হয়েছিল। যার প্রভাব সেইদিন কলকাতার আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে গিয়ে পড়েছিল৷ এই ৬ কলাম অ্যাঙ্কর স্টোরির জন্য বেশ বেগ পেতে হয়েছিল অ্যালিমুদ্দিন স্ট্রিটের ম্যানেজারদের৷

নভেম্বর-ডিসেম্বর মাস জুড়েই তলে তলে আন্দোলন সংগঠিত হচ্ছিল নন্দীগ্রামে। রোজ বর্তমান পত্রিকার পাতায় জমি অধিগ্রহণ সম্পর্কে বিস্ফোরক সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছিল৷ অন্যদিকে হলদি নদীর তীর উতপ্ত হয়ে উঠছিল৷ নন্দীগ্রামে জমি অধিগ্রহণ হবে, ৩০ ডিসেম্বর এই সংক্রান্ত সভা করছিলেন তখনকার দোর্দণ্ডপ্রতাপ সিপিএম নেতা লক্ষ্মণ শেঠ। সেই সভা থেকেই জমি না দেওয়ার প্রতিবাদের শ্লোগান উঠেছিল৷ আর সেই শ্লোগান তুলেছিল পূর্ব মেদিনীপুরের অন্যতম লালদূর্গ নন্দীগ্রামের সিপিএম সমর্থকরাই৷ কিন্তু, তাতে তিনি কোনও আমল দেননি। এলাকার মানুষের পালস ধরতে পারেননি হলদিয়ার বেতাজ বাদশা৷ তিনি ভেবেছিলেন এতদিন যেভাবে জেলার মানুষ তাঁর কথায় উঠেছেন-বসেছেন। নন্দীগ্রামের জমিও তিনি সেই ভাবেই অধিগ্রহণ করবেন। কিন্তু, মানুষ যে তলে তলে ফুঁসছেন তা তিনি ঘুণাক্ষরেও বুঝতে পারেননি। আর যা হয়, ২০০৭ সালের ৩ জানুয়ারি সকালের বর্তমান পত্রিকায় ছাপা হল, ‘আজ নন্দীগ্রামে জমি অধিগ্রহণের নোটিশ ঝোলাবে হলদিয়া ডেভেলপমেন্ট অথিরিটি’। নন্দীগ্রামের মানুষ সেই নোটিশ দেখার জন্য অপেক্ষা করছিলেন সিপিএমের একদা গড় গড়চক্রবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের সামনে। একটা বড় আন্দোলন সুচনার জন্য অপেক্ষা করছিল নন্দীগ্রাম…৷ (আরও পরের কিস্তিতে)

- Advertisement -

সপ্তাহের সবচেয়ে জনপ্রিয় সংবাদ

ইশা সাহার বিয়েতে কেন নিমন্ত্রন পেলেন না- প্রশ্ন মিমি চক্রবর্তীর

এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেত্রী ইশা সাহা কে সরাসরি বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন করলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। ইশা একটি ভিডিও দেখে মিমির প্রশ্ন 'বিয়েতে ডাকলি...

আইআইটির ছাত্র হয়েও ঐচ্ছিক বিষয় ছিল নৃতত্ব, UPSC-র শীর্ষে শুভম

খাস খবর ডেস্ক: টানা তিন বছরের কঠোর পরিশ্রম। আর তাতেই অবশেষে লক্ষ্যভেদ করলেন বিহারের শুভম কুমার। শুক্রবার ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস ২০২০ পরীক্ষার রেজাল্ট বেরোনো...

‘মিঠাই’ সৌমিতৃষার মা কে ফোন করবেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়

অর্পিতা দাস: মিঠাই রানী যেখানেই যান কথা দিয়ে সকলের মন ভালো করে দেন, এবার মোদক পরিবার কে নিয়ে মিঠাই পৌঁছে গেলেন দাদাগিরির সেটে। তবে...

টাকার লোভে স্বামীর সঙ্গে কিশোরীদের সঙ্গমে বাধ্য করেন স্ত্রী

খাস খবর ডেস্ক: উচ্চ পদস্থ চাকরি করেন স্বামী। সরকারি দফতরের পদস্থ আধিকারিক। সেই ব্যক্তির স্ত্রী টাকার লোভে স্বামীর বিছানায় পাঠায় অন্য মহিলা। যাদের সকলের...

খবর এই মুহূর্তে

আমেরিকায় গিয়েই ঝোড়ো ইনিংস উন্মুক্ত চন্দের, ৬৯ বলে ১৩২ করলেন দিল্লির তরুণ

খাস খবর ডেস্ক: এখনও শেষ হয়ে যাননি! আগের মতোই ব্যাটে-বলে হয়, রানের ফোয়ারা ছোটে উন্মুক্ত চন্দের। ভারতের প্রাক্তন অনুর্ধ্ব-১৯ অধিনায়ক জাতীয় দলের হয়ে খেলতে...

বাকি চার কেন্দ্রের ভোট ঘোষণা করল কমিশন

কলকাতা: রাজ্যের বাকি চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপ নির্বাচনের দিন ঘোষণা করল কমিশন৷ নির্বাচন হবে আগামী ৩০ অক্টোবর৷ গণনা ২ নভেম্বর৷ দিনহাটা, গোসাবা, শান্তিপুর এবং খড়দা...

“পাঞ্জাব ও রাজস্থান এক নয়” কংগ্রেস হাইকমান্ডকে বার্তা গেহলট শিবিরের

খাস খবর ডেস্ক : রাজস্থানের পরিস্থিতি পাঞ্জাবের ক্ষমতার বিরোধের থেকে একেবারেই ভিন্ন, রাজ্যের রাজস্ব মন্ত্রী হরিশ চৌধুরী, যিনি চণ্ডীগড়ে সাম্প্রতিক নেতৃত্ব পরিবর্তনের সময় কংগ্রেস...

 বিয়েতে মন খুলে নাচ, মঞ্চ থেকে পড়েই গেলেন দম্পতি, ভাইরাল ভিডিও

খাস খবর ডেস্ক: বিবাহের মতো আনন্দ উৎসব গোটাজীবনে বড় কমই রয়েছে। বর-বউ তো বটেই, পরিবারের প্রত্যেকে আনন্দ করেন এই উপলক্ষে। তবে এক্ষেত্রে আনন্দ বদলে...